চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৪০৩তম দিবসে রেকর্ড ৯৬ জনের মৃত্যু

মৃত্যু ১০ হাজার ছুইঁ ছুঁই

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৪০৩তম দিনে নতুন ৯৬ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৯৮৭ জন।

যা এ যাবৎকাল পর্যন্ত করোনার মৃত্যুর সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে চলতি মাসের ১২ তারিখ সর্বোচ্চ ৮৩ জনের মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ১৮৫ জনের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৪ হাজার ৮২৫টি নমুনা পরীক্ষায় পাঁচ হাজার ১৮৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৯৭ হাজার ২৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬৫টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ লাখ ৯৫ হাজার ৬১৩টি নমুনা।

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন সাত লাখ তিন হাজার ১৭০ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ৩৩৩ জনসহ মোট পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ২৯৯ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ০৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৯৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে জন ৫৯ জন পুরুষ ও ৩৭ জন নারী। তাদের মধ্যে ৯৪ জন হাসপাতালে ও দুই জনের বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা নয় হাজার ৯৮৭। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত সাত হাজার ৪৩৫ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং দুই হাজার ৫৫২ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৯৬ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী দুই জন, ত্রিশোর্ধ্ব দুই জন, চল্লিশোর্ধ্ব ১২ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২৫ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৫৫ জন রয়েছেন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৬৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, খুলনা বিভাগে পাঁচ জন, বরিশাল বিভাগে পাঁচ জন, সিলেট বিভাগে তিন জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিন জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৩ কোটি ৮১ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৯ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১১ কোটি ১১ লাখের বেশি।