চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৪০০ মিলিয়ন ইউরোর কোনো দোষ দেখছেন না কোচ

দুজনের পেছনে ৪০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে পিএসজি। লক্ষ্য একটাই, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়। যা রোববার রাতে পূরণের খুব কাছে থেকে ফিরেছেন নেইমার ও কাইলিয়ান এমবাপে। শেষপর্যন্ত পিএসজির একাডেমি থেকে উঠে আসা কিংসলে কোম্যানের হেডে স্বপ্নভঙ্গ হয় প্যারিস জায়ান্টদের।

শিরোপা জিতলে পেছনের সমস্ত দোষই ক্ষমা করে দেয়া যায়, না হলে সামান্য ভুলই বিশাল ফোড়ার মতো দেখায়। এখন নেইমার-এমবাপের ক্ষেত্রেও বিষয়টা হয়ে যাচ্ছে সেরকমই। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, যে কারণে কোটি কোটি ইউরোর শ্রাদ্ধ করে দুজনকে একসঙ্গে খেলানো, তার কতটুকু পুষিয়ে দিতে পারলেন তারা?

বিজ্ঞাপন

আরেকদিকও দৃষ্টিকটু ঠেকছে পিএসজি সমালোচকদের কাছে। কোয়ার্টার ও সেমিফাইনালে প্লে-মেকারের ভূমিকা পালন করলেও গোল পাননি নেইমার। ফাইনালে বলতে গেলে তাকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। একই ব্যাপার তার আক্রমণসঙ্গী এমবাপের ক্ষেত্রেও। চোট থেকে সেরে ওঠা ফরাসি তরুণ নকআউটে ঝলক দেখানো পারফরম্যান্সের অনেক দূরেই ছিলেন। শেষ আট থেকে দুজনে প্রতিপক্ষের জাল বরাবর ২৩ শট নিয়ে একবারও জাল খুঁজে পাননি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এরপর দুজনের সমালোচনায় ঢাল হচ্ছেন পিএসজি কোচ টমাস টুখেল, ‘নেইমার টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ ছিল। সে সামর্থ্যের সবটুকু দিয়েছে। আর এমবাপে! এটা অলৌকিক যে ভয়ঙ্কর এক গোড়ালির চোটের পরও সে আমাদের সঙ্গে খেলেছে।’

কোয়ার্টার ও সেমিতে গোল পাওয়া মার্কুইনোসও সুর মিলিয়েছেন কোচের সঙ্গে, ‘আমরা একটা দল, এখানে একার কারও দোষ হতে পারে না। আমরা আমাদের দল নিয়ে গর্বিত।’

‘কেউ ভাবেইনি আমরা এতটা ভালো করবো। আমরা হতাশ যে, আমরাও আরও কিছু চেয়েছিলাম। আমাদের সামনে চলতে হবে, একে-অন্যের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, পরস্পরের জন্য কাজ করতে হবে। আগামী মৌসুমের কথা চিন্তা করতে হবে। যেন তাতে আরও ভালো খেলতে পারি।’