চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

৩০ বছর বয়সের আগেই যে কাজগুলো করা দরকার

মানুষের জীবন শুরুই হয় মুলত ৩০ এর পরে। তবে ৩০ বছর কিন্তু কম বয়স নয়। জীবনের প্রায় অর্ধেকটা সময়ই শেষ হয়ে যায়। তারুণ্য ও যৌবনের এই সন্ধিক্ষণে প্রত্যেকটি মানুষ তার জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে।

এই সময়েই অনেক মানুষ তার সফলতার পথে সংগ্রামে লিপ্ত নয়তো পৌঁছে যায়। তবে জীবনে সফলতা আনতেও প্রত্যেকটি মানুষকে বিশেষ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। যেগুলো বয়স ৩০ পার করার আগেই শিখে ফেলা বা আয়ত্বে আনা উত্তম।

বিজ্ঞাপন

বিষয়গুলো হলোঃ

এমন কাজ করা যা নিজে উপভোগ করবেন

বেশিরভাগ মানুষই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর চাকরির পেছনে ছুটে থাকে। তবে বেশিরভাগই নিজের যোগ্যতা অনুসারে দ্রুত চাকরি পান না। সেজন্য পড়ালেখা করার সময় থেকেই নিজের পছন্দসই বা যে ধরণের কাজ আপনি উপভোগ করেন, তা লক্ষ্যস্থির করতে সেইসব ক্ষেত্রের বিষয়ে পূর্ব প্রস্তুতি নিতে হবে। পড়ালেখা শেষে যেধরণের কাজ ও চাকরির খোঁজ করবেন, সেইসব ক্ষেত্রে সফল ও বর্তমানে কাজ করাদের অভিজ্ঞতা জেনে সেভাবে নিজেকে তৈরি করা উচিত।

সঠিক অগ্রাধিকার

জীবন নিয়ে আমরা সর্বদাই খুব তাড়াহুড়োতে থাকি। আর এই তাড়াহুড়োর ফলে আমরা ভুল করে বসি কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ তা বিচার করতে। প্রয়োজনে বড়দের সঙ্গে আলোচনা করে জীবনের অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে।

ভাল বন্ধু নির্বাচন

বিজ্ঞাপন

মানুষ তার পুরো জীবনে অনেক মানুষের সাথে পরিচিত হয়, সেখান থেকেই অনেকের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে এদের সবাই ভাল বা কাছের বন্ধু হয় না বেশিরভাগ সময়। প্রয়োজনে একে অন্যের সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে, সাফল্যে আনন্দিত আর পরাজয়ে কষ্ট পাবে এমন মানুষই প্রকৃত বন্ধু। সেরকম কারো সঙ্গে মত ও ভাবের বিনিময় থাকলে কাজ ও ব্যক্তিগত চাপ কম পড়বে জীবনে।

কিছু একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় থাকুক ব্যক্তিগত

প্রত্যেক মানুষের জীবনে কিছু ব্যক্তিগত বিষয় থাকে যা একান্তই ব্যক্তিগত। এমন বিষয়গুলোকে নিজের ভেতরে রাখতে শেখাও এই বয়সে জরুরি। অনেক সময় এই ব্যক্তিগত বিষয়গুলি কারো জীবনের দূর্বলতার কারণ হয়ে দাড়ায়, অনেকে সুযোগ নিতে পারে।

গৃহস্থালির কাজ শেখা

৩০ বছর বয়সের পরে কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবন শুরু হয় অনেকের। সেজন্য আগে থেকেই গৃহস্থালির টুকিটাকি কাজ শিখে ফেলা বা অভ্যাস করা জরুরি। ছেলেমেয়ে সবারই টুকটাক রান্না, ঘরদোর গোছানো, কাপড় পরিষ্কার ও বাজারসদাই শিখলে জীবন অনেকটা সহজ হয়। এসব করতে গিয়ে নতুন কর্ম-পরিবেশের সঙ্গে পরিচত হলে দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া

তারুণ্য মানেই বাঁধাহীন জীবন। তবে তার একটা সীমা থাকা দরকার। স্বাস্থ্যই সম্পদ, বাঁধাহীন জীবন যেন স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর না হয়। সুস্থ না থাকলে কোন কিছুই কাজে আসবে না। ৩০ বছর থেকেই খাবারসহ অনেক কিছু বিষয়কে মাথায় রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রিত জীবনধারা ও পর্যাপ্ত ব্যয়াম সামনের দিনগুলোতে কাজে আসতে পারে।

একান্ত অবসর যাপন ও ভ্রমণ

কাজের শুরু ও অগ্রগতির মাঝে যেনো কোনো ধরণের বিরক্তি ও অবসাদ না দেখা দেয়, সেজন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম, একান্ত সময় যাপন ও ভ্রমণ একটি ভাল অভ্যাস হতে পারে। যা তরুণকাল থেকেই আয়ত্বে আনা দরকার। বন্ধুবান্ধব ও প্রিয়জনদের সঙ্গে স্বল্প বা মধ্যমেয়াদী ভ্রমণ আগামীদিনের কাজের শক্তি যোগাবে।

Bellow Post-Green View