চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

২৪ জুনের মধ্যে ঋণখেলাপিদের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট

ঋণখেলাপিদের তালিকা, কী পরিমাণ ঋণের সুদ মওকুফ করা হয়েছে তা, এবং ঋণের সুদ মওকুফের ক্ষেত্রে অনিয়ম বন্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার তথ্য আগামী ২৪ জুনের মধ্যে দাখিল করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এ প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সময় চেয়ে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়। এসময় আদালত বলেছে, তালিকা দাখিল না করলে পরিণতি ভোগ করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

আজ আদালতে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান। আর রিটকারী পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ঋণ খেলাপির তালিকা দাখিল না করায় গত ৩০ এপ্রিল হাই কোর্ট অসন্তোষ প্রকাশ করার পাশাপাশি ১৫ দিনের মধ্যে তালিকা দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ব্যাংক খাতে অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, সুদ মওকুফ সংক্রান্ত বিষয় তদন্ত ও সুপারিশ প্রণয়নে কমিশন গঠন করতে গত ২৩ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট ৫ সচিবসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে উকিল নোটিস দেওয়া হয়েছিল। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ এর পক্ষে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিসটি পাঠিয়েছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। সাতদিনের মধ্যে কমিশন গঠনের সময় বেধে দিয়ে নোটিসে অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ অনুমোদনে অনিয়ম, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ঋণের সুদ মওকুফ সংক্রান্ত বিষয় তদন্ত ও তা বন্ধে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ১৯৫৩ সালের ইনকোয়ারি কমিশন অ্যাক্টের অধীনে একটি কমিশন গঠন করার অনুরোধ করা হয়।

সে নোটিসে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জা আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, সিটি ব্যাংক এন এ বাংলাদেশের সাবেক সিইও মামুন রশিদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন প্রতিনিধি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধির সমন্বয়ে কমিশন গঠন করতে অনুরোধ করা হয়েছিল।