চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

২৪ ঘণ্টায় শুধু ব্রাজিলেই আক্রান্ত ৩০ হাজার

করোনায় নিজেদের আগের রেকর্ড ভেঙেছে ভারতও , একদিনে ৮ হাজার ৩৩৬ রোগী শনাক্ত

বিশ্বের সব দেশকে পেছনে ফেলে একদিনে করোনা আক্রান্তের নতুন রেকর্ড করেছে ব্রাজিল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে শনাক্ত হয়েছে ৩০ হাজার ১০২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮৯০ জনের। 

ল্যাটিন আমেরিকার দেশটি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে কয়েকদিন আগেই দ্বিতীয় স্থানে আছে। মৃত্যুর তালিকায় স্পেনকে ছাড়িয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুয়ায়ী, ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪০ জন মানুষ। এদের মধ্যে মারা গেছে ২৮ হাজার ৮৩৪ জন। আর সুস্থ হয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৩৭১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে  ১ লাখ ২৪ হাজার ১০৩ জনের। এর মধ্যে ব্রাজিলের ৩০ হাজার ১০২ জন ছাড়াও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ২৩ হাজার ২৯০ জন মানুষ নতুন শনাক্ত হয়েছে।

আর মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ১৫ জন মারা গেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু ব্রাজিলের। যেখানে পুরো বিশ্বে করোনায় মৃত্যু হার ১২ শতাংশে নেমে এসেছে, সেখানে ব্রাজিলে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩১ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, ব্রাজিল করোনায় মৃত্যুতে বিশ্বের মধ্যে এখন পঞ্চম দেশ। দেশটি কয়েকদিনের মধ্যে ফ্রান্স, ইতালি এবং যুক্তরাজ্যকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে ফ্রান্সে মোট মৃত্যু ২৮ হাজার ৭৭১জন, ইতালিতে ৩৩ হাজার ৩৪০ এবং যুক্তরাজ্যে ৩৮ হাজার ৩৭৬ জন।

গত ২১ মে ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে ঢের বেশি হতে পারে। কেননা, ব্যাপক আকারে পরীক্ষার অভাবে অনেকেই হয়তো সরকারি হিসাবের আওতায় আসছে না।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রাজিলে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অন্তত ১৫ গুণ বেশি হতে পারে।

মহামারির চেয়েও ভয়ংকর রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হয়। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৯১৮ জন।এছাড়াও এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৮ জনের শরীরে। এরই মধ্যে ২১২টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস।

আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৭৮ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৩০ লাখ ৪৫ হাজার ৪৩১ জন। এদের মধ্যে ৫৩ হাজার ৫০৩ জনের অবস্থা গুরুতর।

শেয়ার করুন: