চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৪ জনের, শনাক্ত ১৮৮৭

করোনাভাইরাস

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪৫৪তম দিনে শেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩৪ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৫৮ জনে

করোনায় গত মাসের ১৯ তারিখ সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যু হয়। গতকাল ৩০ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৮ হাজার ১৫১টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ৮৮৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৪৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৬ লাখ ২৭২ হাজার ৩৪৮ টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৬০ লাখ একুশ হাজার ১৪৫টি নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন আট লাখ সাত হাজার ৮৬৭ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৭২৩ জনসহ মোট সাত লাখ ৪৭ হাজার ৭৫৮ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৩৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ১৪ জন নারী। তাদের মধ্যে ৩১ জনের হাসপাতালে (সরকারীতে ২৮ জন, বেসরকারীতে তিন জন) ও তিন জনের বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ১২ হাজার ৭৫৮। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৮ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত নয় হাজার ২০১ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭২ দশমিক ১২ শতাংশ এবং তিন হাজার ৫৫৭ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩৪ জনের মধ্যে শূন্য থেকে দশ বছর বয়সী এক জন, একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী এক জন, ত্রিশোর্ধ্ব দুই জন, চল্লিশোর্ধ্ব পাঁচ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ছয় জন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৯ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে নয় জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয় জন, রাজশাহী বিভাগে পাঁচ জন, খুলনা বিভাগে পাঁচ জন, বরিশাল বিভাগে এক জন, সিলেট বিভাগে তিন জন ও রংপুর বিভাগে পাঁচ জন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৭ কোটি ২৯ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৭ লাখ আঠারো হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৫ কোটি ৫৭ লাখের বেশি।