চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

২০০৫ অ্যাশেজ নিয়ে পন্টিংকে ধুয়ে দিলেন ওয়ার্ন

১৯৮৯ থেকে ২০০২, টানা আট অ্যাশেজ জিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের উপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল অস্ট্রেলিয়া। জয়ের সেই লাগামটা খুলে যায় ২০০৫ সালে এসে, রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বে। সেসময় অজি সাবেক অধিনায়কের একাধিক ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দলকে অ্যাশেজ বিসর্জন দিতে হয়েছিল বলে সমালোচনা করেছেন কিংবদন্তি লেগস্পিনার শেন ওয়ার্ন।

মাইক গ্যাটিংয়ের নেতৃত্বে ১৯৮৬ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে অ্যাশেজ জয়ের পর বিজয়ের সৌভাগ্য হারিয়ে বসে ইংল্যান্ড। অ্যালান বোর্ডারের হাত ধরে এরপর থেকে ইংলিশদের উপর নিয়ন্ত্রণ ছড়িয়ে বসে অজিরা। পরে মার্ক টেলর, স্টিভ ওয়াহরা অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে যান অন্য পর্যায়ে। স্টিভ ওয়াহর দলটিকে বলা হয় সর্বকালের সেরা অস্ট্রেলিয়া দল।

বিজ্ঞাপন

ওয়াহর পর নেতৃত্বের ব্যাটন হাতে পান রিকি পন্টিং। তার নেতৃত্বে ২০০৩ বিশ্বকাপ জিতলেও আসল জায়গায় কর্তৃত্ব হারিয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। মাইকেল ভনের নেতৃত্বে গ্লেন ম্যাকগ্রা, শেন ওয়ার্নদের দলকে হতবাক করে নিজ ঘরে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করে ইংল্যান্ড।

বিজ্ঞাপন

সিরিজে লর্ডসের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের বিশাল হারের পর এজবাস্টনে মাত্র ২ রানে জিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। ম্যাচের চতুর্থদিনে মাত্র দুই উইকেট হাতে রেখে ১০৭ রান প্রয়োজন ছিল অস্ট্রেলিয়ার। অসামান্য এক লড়াইয়ের পর দুই রান দূরে থাকতে থেমে যায় অজি ইনিংস।

এজবাস্টনের সেই টেস্টে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক রিকি পন্টিং। সেই সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে মনে করেন ওয়ার্ন।

বিজ্ঞাপন

‘নাসের হুসেইন গ্যাবায় একবার সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ২০০২-০৩ অ্যাশেজে সে টস জিতে বলেছিল- আমরা আগে বল করবো। ব্রিসবেনে একই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। গ্যাবায় তো তাও প্রথমদিন বল হাল্কা টার্ন করতো, ব্রিসবেনে একদমই না।’

‘পান্টারের (পন্টিং) সেই সিদ্ধান্ত ছিল যেকোনো অধিনায়কের নেয়া সর্বকালের ভুল সিদ্ধান্তগুলোর একটি।’

ব্রেট লিকে নিয়ে এজবাস্টনের সেই টেস্ট জিতেই যাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া। নিজে হিট উইকেট আউট হয়ে ম্যাচটা ইংল্যান্ডের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে এখনো আফসোস হয় ওয়ার্নের।

‘ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণ ছিল দুর্দান্ত। তারা ৯০ মাইল বেগে রিভার্স সুইং করাতে পারতো। স্টিভ হার্মিসন ছিল, অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ ছিল। আমার কাজ ছিল শুধু টিকে থাকা।’

‘আমার ভাবনা শুধুই ছিল সিরিজ নিয়ে, এমন সময় কীভাবে যে আমার পা স্টাম্পে লেগে গেলো বুঝতেই পারিনি। কোনো একভাবে আমার পা স্টাম্পে লেগে গিয়েছিল, আমি জানতামই না।’