চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১৯ প্রতিষ্ঠানকে সোয়া দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি

বাজারে চালের সরবরাহ বাড়াতে ২ লাখ ২৫ হাজার টন চাল আমদানির জন্য ১৯টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে সরকার।

চাল আমদানির এই অনুমতি দিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠিও পাঠিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাণিজ্য সচিব বরাবরে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যাচাই-বাছাই করে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙা দানাবিশিষ্ট সিদ্ধ চাল (বাসমতি ছাড়া) শর্তসাপেক্ষে আমদানির জন্য অনুমতি দেয়া হলো।

বিজ্ঞাপন

চাল আমদানির শর্তে বলা হয়েছে, এই বরাদ্দপত্র ইস্যুর ৭ দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হবে। এ সংক্রান্ত সব তথ্য খাদ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে তাৎক্ষণিকভাবে।

ব্যবসায়ীদের যারা ৫ হাজার টন বরাদ্দ পেয়েছেন, তাদের এলসি খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০ দিনের মধ্যে শতভাগ চাল বাজারজাত করতে হবে। আর যেসব প্রতিষ্ঠান ১০ থেকে ৫০ হাজার টন আমদানির অনুমতি পেয়েছেন তাদের ঋণপত্র খোলার ১৫ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং এক মাসের মধ্যে সব চাল বাজারজাত করতে বলা হয়েছে।

যেসব প্রতিষ্ঠান চাল আমদানির অনুমতি পেল
ময়মনসিংহ থেকে মেসার্স মজুমদার ট্রেডার্স ৫০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি পেলো। এছাড়া যশোরের মেসার্স মজুমদার অ্যান্ড সন্সকে ২০ হাজার টন, মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ ১০ হাজার টন, মেসার্স সুশান্ত কৃষ্ণ রায় ১০ হাজার টন, মেসার্স গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজ ৫ হাজার টন, সাতক্ষীরা থেকে মেসার্স মজুমদার এন্টারপ্রাইজ ২৫ হাজার টন, মেসার্স নিশাত ইন্টারন্যাশনাল ১৫ হাজার টন, গাইবান্ধা থেকে মেসার্স প্রধান ট্রেডার্স ৫ হাজার টন, পাবনা থেকে পূর্বাশা ট্রেডিং ৫ হাজার টন, দিনাজপুর থেকে মেসার্স ইউনাইটেড রাইস মিল ৫ হাজার টন, চাপাইনবাবগঞ্জের মেসার্স হোসেন ট্রেডার্স ১০ হাজার টন, মেসার্স নজরুল সুপার রাইসমিল ১০ হাজার টন, মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্স ৫ হাজার টন, মেসার্স নবাব ফিড প্রোডাক্টস ১০ হাজার টন, শেরপুর থেকে মেসার্স এবি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ১০ হাজার টন, চট্টগ্রামের আল আমিন এস্টাব্লিশমেন্ট ৫ হাজার টন, মেসার্স সামছুল আলম ১০ হাজার টন, মেসার্স এস অ্যান্ড কোং ১০ হাজার টন, বগুড়ার ফিরিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ৫ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি পেয়েছে।

এর আগে গত রোববার (৩ জানুয়ারি) ১ লাখ ৫ হাজার টন সিদ্ধ চাল আমদানির জন্য ১০টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে সরকারি পর্যায়েও চাল কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বাজারে দাম বেশি হওয়ার কারণে চালের মজুত বাড়াতে আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি বেসরকারিভাবে চাল আমদানি বাড়াতে শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে সরকার।