চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১৯৫৪-১৯৬২ সালের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে ফজিলাতুন নেছা

চেতনায় অম্লান দীপ্তি: শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব

১৯৫৩ সালের ২৮ এপ্রিল শেখ জামালের জন্ম হয়। শেখ জামালের জন্মের পরে ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ভাবনা হয় স্বামীকে আরও বেশি সময় দেওয়া দরকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে। যাতে স্বামী মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়ে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারেন অবলীলায়। সে চিন্তা থেকেই ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ঢাকায় আগমন ঘটে এবং গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ছেড়ে চলে আসেন। ফজিলাতুন নেছা মুজিব ১৯৫৪ সালে সপরিবারে বসবাস করার জন্য ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় চলে আসেন এবং রজনী চৌধুরী লেনে বাসা নেন। এই প্রথম সংকীর্ণ পরিবেশে রেণুর আবাস গড়ে তোলা, কিন্তু তারপরও তো প্রিয় স্বামী শেখ মুজিবের সান্নিধ্য পাওয়া যাবে, ছেলেমেয়েরাও বাবার আদর ভালবাসা পাবে, জেলে থাকলেও খোঁজখবর পাওয়া যাবে, মাঝেমধ্যে পছন্দের খাবারটা কারাগারে পৌঁছানো যাবে।

সে সময়টায় জাতির জনক খুব ব্যস্ত ছিলেন তার রাজনৈতিক কাজে, সারাদেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন মুসলিম লীগকে নির্বাসিত করার প্রয়াসে। প্রত্যেক জেলা ইউনিটে কর্মী সমাবেশ করার মাধ্যমে নেতাকর্মীদের একাট্টা করার জন্যই ছিল এই রাজনৈতিক সমাবেশগুলো। মুজিবের ফিলোসফি ছিল হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই ভাই ভাই, ধর্মের ভিত্তিতে নয়, মানুষের পরিচয়ে তারা এই বঙ্গে বসবাস করবেন। সে দীক্ষাই নিয়েছিলেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব, সাধারণ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কর্মীরা পর্যন্ত সমান মূল্যায়ন পেতেন রেণুর কাছে।

ফজিলাতুন নেছার আশা ছিল দেশ স্বাধীন হলে স্বামীকে নিয়ে নীরবে নিভৃতে কিছুটা সময় পারিবারিক পরিবেশে গোপালগঞ্জে বসবাস করবেন। কিন্তু ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পরে আর কোন আশাই পূর্ণ হয়নি ফজিলাতুন নেছার।

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। শেখ মুজিব যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হয়ে গোপালগঞ্জে তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে ১৩ হাজার ভোটে পরাজিত করে মন্ত্রীসভার সদস্য মনোনীত হন। তিনি বন ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। মন্ত্রী হওয়ার পর গেন্ডারিয়ার বাসা ছেড়ে ৩নং মিন্টো রোডের বাসায় উঠেন ফজিলাতুন নেছা। তবে সেখানেও বেশিদিন থিতু হতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর আদরের পত্নী।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত হওয়ার পরে পুলিশ এসে বারবার হানা দিল বাড়িতে। ফলশ্রুতিতে, ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে আবার বাসা পরিবর্তন করতে হয়। রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে অসংখ্যবার বাধা-বিপত্তির সন্মুখীন হতে হয়েছে। ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাত ও রাজনৈতিক চড়াই-উৎরাইয়ে বহুবার বাসা পরিবর্তন করতে হয়েছে বেগম মুজিবকে। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে বাসা পরিবর্তন করা কি যে ঝামেলার কাজ, আবার সহজে কেউ বাসা ভাড়া দিতে চাইতো না রাজনৈতিক পরিবার বিধায়।
চৌদ্দ দিনের সরকারি নোটিশ হাতে নিয়ে আবারো বাসার সন্ধানে বেরিয়ে পড়লেন বাঙালি জাতির গর্বের ধন, সাম্য ও সততার প্রতীক ফজিলাতুন নেছা মুজিব। তখন এই পরিবারকে কেউ বাড়ি ভাড়া দিতে চাইতো না, রাজনৈতিক পরিবার বিধায় যখন তখন পুলিশের হয়রানি হতে পারে এই ভয়ে কেউ বাড়ি ভাড়া দেওয়ার সাহস পেত না।

অনেক খোঁজাখুঁজির পরে শেষমেশ ৬০ টাকা ভাড়ায় নাজিরা বাজারের গলিতে একটি বাসায় ঠাঁই হল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পথিকৃৎ শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের। ছোট পরিবেশে সন্তানাদি নিয়ে বসবাস করা কষ্টের হলেও তিনি নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলেন স্বামীর রাজনীতির স্বার্থে। নাজিরা বাজারে থাকাকালীন সময়েই জন্ম হয় ছোট মেয়ে শেখ রেহানার। শেখ রেহানার জন্মের সময়ও শেখ মুজিব পরিবারকে তেমন সময় দিতে পারেননি যেমনটি ঘটেছিল শেখ হাসিনার সময়েও। তারপরেও বঙ্গবন্ধুর উপর কখনো কোন ধরনের রাগ, ক্ষোভ বা গোস্বা প্রকাশ করেননি।

পরিবারের এ দুঃসময়ে শেখ মুজিব যথারীতি কারান্তরীণ, সংসারের সমস্ত দায়িত্ব খাওয়া-দাওয়া, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা, আত্মীয়স্বজনদের দেখাশোনা, রাজনৈতিক কর্মীদের সাথে যোগাযোগ ইত্যাদি সবই দেখভাল করতেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সহিত। এ সময়ে শ্বশুর শেখ লুৎফুর রহমান রেণুকে তার পৈতৃক সম্পত্তির একটা অংশ তার হাতে নিয়মিত তুলে দিতেন সংসার পরিচালনার জন্য। পাশাপাশি ফজিলাতুন নেছা অতিরিক্ত খরচ মেটানোর তাগিদে ঘরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও নিজের পছন্দের গহনা বিক্রি করতেও দ্বিধাবোধ করতেন না।

ফজিলাতুন নেছার এহেন ব্যক্তিত্ব ও দায়িত্বশীলতা দেখে শেখ হাসিনা তার মায়ের ভক্ত-অনুরক্ত হয়ে ওঠেন প্রতিনিয়ত। শেখ হাসিনার সাথে তার মায়ের বয়সের ব্যবধান বেশি ছিল না। সৌহার্দ্য পরিবেশে একে অন্যের সাথে বান্ধবীর ন্যায় হয়ে উঠেছিলেন। পরিবারের সব বিষয়, শেখ মুজিবের রাজনীতি ইত্যাদি সমস্ত বিষয় নিয়ে শেখ হাসিনার সাথে আলোচনা করতেন। সখা, বান্ধবী, পরম সুহৃদ হিসেবে শেখ হাসিনা তার মায়ের পাশাপাশি ছিলেন সর্বক্ষণ।

বিজ্ঞাপন

১৯৫৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শেখ মুজিব সদ্য গঠিত কোয়ালিশন সরকারের শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন, ভিলেজ এইড দপ্তরের মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করেন। নিজে বসতি গড়লেন সন্তানদের নিয়ে ১৫নং আব্দুল গণি রোডে। স্বেচ্ছায় মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর আবার বাড়ি খোঁজার দায়িত্ব পরে ফজিলাতুন নেছা মুজিবের উপরে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে সেগুন বাগিচার একটি ভাড়া বাড়িতে উঠলেন ফজিলাতুন নেছা। এত ঝড়-ঝাপটা আসতো কিন্তু সামান্য সময়ের জন্য ও বঙ্গবন্ধুকে রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা বলেননি। বাসা ভাড়া, সংসার চালানো, সন্তানদের লেখাপড়া, আত্মীয়স্বজনদের সাথে সম্পর্ক ইত্যাদি সব কাজই নিজস্ব দক্ষতায় সামলেছেন। প্রকৃত অর্থে ফজিলাতুন নেছার তুলনা তিনি নিজেই, নিজ কৃতকর্মের মাধ্যমে তিনি তার অনন্যতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। রাজনীতির ডামাডোলেও স্বামীর প্রতি আস্থা ঘুণাক্ষরেও পরিবর্তিত হয়নি।

এরপর বেশ কিছুদিন সস্তিতে ছিলেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধু টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন। ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর মার্শাল ল জারি হয়, বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হলেন ১১ অক্টোবর। আবারো বাড়ি ছাড়ার নোটিশ, হন্য হয়ে পাগলের মত বাড়ি খুঁজতে থাকেন ফজিলাতুন নেছা। কোথাও বাড়ি পাচ্ছেন না আবার শেখ মুজিবকে রেখে গোপালগঞ্জেও যেতে পারছেন না। সবশেষে সেগুনবাগিচায় নির্মাণাধীন একটি বাসা পায় যেখানে ছিল না ইলেকট্রিসিটি, ছিল না কোন পানির সংযোগ। বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীকার মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু পরিবারকে কতটা দুঃসহ যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে তা এক কথায় অকল্পনীয়, বর্তমান প্রজন্মের কারোর পক্ষেই তেমনটি আর সম্ভবপর হয়ে উঠবে না। ফজিলাতুন নেছা মুজিব অনুপ্রেরণাদায়ী মহিলা ছিলেন, স্বামীর দেখানো আদর্শে অবিচল ছিলেন, ছিলেন সাহসী ও অনুপ্রেরণার উৎস, সার্বিক বিষয়গুলো নতুন প্রজন্মের গবেষকদের কাছে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। একজন নারী পর্দার আড়ালে থেকে কিভাবে সংসার, স্বামী এবং দেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারেন তার জলন্ত প্রমাণ শেখ ফজিলাতুন নেছা।

বাড়ি পরিবর্তনের জন্য ছেলেমেয়েদের নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘোরাসহ চরম দুঃসহ যন্ত্রণার পরে ৩০০ টাকা ভাড়ায় রেণুর জায়গা হলো ৭৬ সেগুন বাগিচার দোতলা ফ্ল্যাটে। তবে এ বাসার ভাড়া অতিরিক্ত হওয়ায় সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ ও গৃহশিক্ষক যোগান দিতে অসুবিধায় পরতে হয়েছিল ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে। কিন্তু দৃঢ়চেতা রেণু ঘুণাক্ষরেও সন্তানদের অনুধাবন করতে দিতো না অর্থ সংকটের বিষয়টি। বলতেন তুমি শিক্ষকদের কাছে ভালভাবে শিখছ না, তাই তোমার দায়দায়িত্ব আমার। গানের শিক্ষক চলে যাওয়ার পর বলতেন- তোমাকে আরো ভাল মানের শিক্ষক রেখে দিব। কিন্তু সমস্যার মূল হোতা যে অর্থ তা কোনভাবেই তার সন্তানদের বুঝতে দিতেন না। নিজের সামর্থ্যরে মধ্যে দিয়ে সাধ্যের সবটুকু করার চেষ্টা ছিল ফজিলাতুন নেছার। অতিরিক্ত বাসনা কখনোই রেণুকে স্পর্শ করতে পারেনি।

একজন মহিলা কতটা দৃঢ়চিত্তের হলে বারংবার জেগে ওঠা সমস্যার মাঝেও নিজে অবিচল থেকে স্বামীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদানের জন্য নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। শুধু কি তাই, স্বামীর মামলাগুলো ঠিকমতো চলছে কিনা সে বিষয়টিও দেখভাল করতেন। মাঝেমধ্যে এমনও দেখা গেছে সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে না পারার কারণে কোর্টে উকিলরা হাজির হতেন না। টাকা সংগ্রহ করা, উকিলদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা, কাগজপত্র তৈরি করা, রাজনৈতিক কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করা ইত্যাদি জটিল কাজগুলোও তাঁকে দেখতে হতো। পাশাপাশি শেখ মুজিবের মুক্তির জন্য জনমত তৈরি, আহুত হরতালে নেতৃত্ব দান, প্রচারপত্র বিলি বণ্টন ইত্যাদি কাজগুলোও করতেন ফজিলাতুন নেছা। কোনোদিন তার সন্তানেরা এ বিষয়গুলো ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি যে মা কতটা দুঃসহ যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে সময়কে অতিক্রম করেছেন। সংসারী ও স্বামীবৎসল নারীর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিলেন রেণু।

১৯৬১ সালে জেল থেকে মুক্তি পান শেখ মুজিব, জেল থেকে মুক্তি পেলে ফজিলাতুন নেছা হাতে আসমানের চাঁদ পেতেন। সেবার তার সুখ কিছুটা স্থায়ী হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষ্যমতে, “জেল থেকে মুক্তি পাবার পরে আব্বা আলফা ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি গ্রহণ করেন। এ সময়টাতে আমাদের পরিবারের জন্য ছিল সুখের দিন। আব্বার রাজনীতি বন্ধ ছিল, কাজ বলতে ছিল অফিস আর বাড়ি। আম্মারও অর্থকষ্টের কথা তেমন চিন্তা করতে হত না। আমাদের পড়ালেখার জন্য মাস্টাররা আসত নিয়মিত। আম্মার শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সহজ যাতায়াত গৃহটিকে পরিপূর্ণ মর্যাদা দান করেছিল।” নির্ধিদ্বায় বলা চলে এ কয়টা দিন ফজিলাতুন নেছা বাঙালি ঘরনীর ন্যায় পরিবার দেখভাল করেছিলেন। কিন্তু এ রকম সুযোগ রেণুর জীবনে খুব কমই এসেছে। জীবনভর তিনি সংগ্রাম ও কষ্টের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করেছেন।

১৯৬১ সালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হয় এবং ঐ বছরের অক্টোবরে বাসায় উঠেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব। সে সময় থেকে মৃত্যু অবধি এ বাড়িতে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর পরিবার। যদিও রাজনৈতিক প্রয়োজনে অনেক সময় গা ঢাকা দিতে হয়েছে ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে পুরো পরিবারসহ। তবুও তো আর বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়নি আর। ধানমন্ডির এ বাড়িটিই হয়ে উঠেছিল বাঙালি জাতির মুক্তির ফৌজ, লাখ-কোটি মানুষের আশা আকাক্সক্ষার প্রতীক। সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জাতীয় নেতারাও রাজনৈতিক প্রয়োজনে যখন তখন এ বাড়ির পানে রওয়ানা দিতেন স্থানীয় এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য।

অনাথ, বিধবা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদারদের হাতে ধর্ষিত নারীদের জন্য পরম নিরাপদস্থল হয়ে উঠেছিল ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি। বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তের লোকজন পূর্বানুমুতি ছাড়াই বাড়িটিতে প্রবেশ এবং বাড়ির মানুষজনের কাছ থেকে আতিথেয়তা গ্রহণ করেছেন। ১৯৬২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জননিরাপত্তা আইনে শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এবার জেলে বেশিদিন থাকেননি শেখ মুজিব, ঐ বছরের ১৮ জুন মুক্তি পান তিনি। এই স্বল্প সময়ে বাড়ি খোঁজার ঝামেলায় পড়তে হয়নি ফজিলাতুন নেছাকে।

চলবে…

শেয়ার করুন: