চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১০ হাজার পিপিই ও দরিদ্রদের সহায়তা দিয়েছে ক্ষুদ্র অর্থায়ন সংস্থাগুলো

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করা ক্ষুদ্র অর্থায়ন সংস্থাসমূহ এগিয়ে এসেছে। কর্মরত চিকিৎসা কর্মীদের বিতরণের জন্য ১০ হাজার পিপিই প্রস্তুত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে খাদ্য বিতরণ করেছে তারা।

ক্ষুদ্র অর্থায়ন সংস্থাসমূহের নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট এন্ড ডেভলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ) স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় সাধন করে এসব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার কর্তৃক গৃহীত ব্যাপক কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্ষুদ্র অর্থায়ন সংস্থাসমূহও তাদের তিন কোটি সদস্যের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। সংস্থাগুলো লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র ও শ্রমজীবি মানুষদের নানাবিধ সহায়তা প্রদান করছে। অতীতে বিভিন্ন দুর্যোগে সরকারি সেবার পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিবিড় সেবা প্রদান করেছে। ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাসমূহ খাদ্য বিতরণ, স্বাস্থসেবা প্রদান এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। একটি ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা করোনা রোগীদের জন্য ৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল ইতোমধ্যে প্রস্তত করেছে। এ সংস্থাটি ডাক্তার ও নার্সদের মধ্যে বিতরণের জন্য ১০০০০ PPE (Personal Protection Equipment) প্রস্তত করেছে এবং শ্রমজীবি ২০০০ রিক্সাচালকদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়: অন্য আরেকটি ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা ঢাকার বাইরে করোনা রোগীদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে তাদের হাসপাতাল প্রস্তত রেখেছে। বিনামুল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিচ্ছে। সকল ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাই তাদের সাধ্যমত সদস্য ও কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও মাস্ক, সাবান ও স্যানিটাইজার বিতরণ করছে। এছাড়া সংস্থাসমূহ তাদের সদস্য ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ ও অডিও-ভিজুয়্যাল কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গ্রামে-গঞ্জে মাইকিং করেও সচেতন করছে মানুষকে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে তাদের স্থানীয় ভাষায় লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছে।

এছাড়া তারা ত্রাণ, সচেতনতা ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ক্ষুদ্রঋণ সংস্থার সকল সদস্যদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে।