চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১০ ছবিতে রাশেদ মামুন অপু, ৯টিতেই ‘ভিলেন’!

আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করলেও থিয়েটারে যুক্ত ছিলেন রাশেদ মামুন অপু। মোটা অংকের সম্মানীর কর্পোরেট চাকরী ছেড়ে নিয়মিত হন ছোটপর্দায়। অল্পদিনে নানামাত্রিক চরিত্র দিয়ে তিনি ড্রয়িং রুমের দর্শকদের প্রিয় অভিনেতা হয়ে ওঠেন। বর্তমানে ছোটপর্দা ছাপিয়ে বড়পর্দায় ব্যস্ততা বেড়েছে তার। এ অভিনেতার ঝুলিতে বর্তমানে ১০টি সিনেমা!

চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে রাশেদ অপু জানান, তার অভিনীত ১০টি ছবির মধ্যে অর্ধেকের বেশি রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। বাকিগুলোর শুটিং চলছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

নতুন ছবি ‘মুক্তি’র কাজ শুরু করবেন জানুয়ারি থেকে। যোগ করে তিনি জানালেন মজার তথ্য। এ অভিনেতা বললেন, ‘১০ সিনেমার মধ্যে ৯ টিতেই ‘ভিলেন’ এর চরিত্রে অভিনয় করছি। যে কটা কাজ করছি পরিচালকরা পারফর্মেন্স দেখেই ডেকেছেন।’

নোমান রবিনের ‘কমন জেন্ডার’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেছিলেন রাশেদ মামুন অপু। পরে নিয়মিত ছিলেন নাটকে।

বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালে নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ ছবির মাধ্যমে আবার বড়পর্দায় যাত্রা শুরু করেন অপু। তার হাতে থাকা ১০টি সিনেমা হচ্ছে অনন্য মামুনের ‘নবাব এলএল.বি, সানী সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদের ‘মিশন এক্সট্রিম’, সৈকত নাসিরের ‘বর্ডার’, মীর সাব্বিরের ‘রাত জাগা ফুল’, রায়হান রাফীর ‘পরাণ’, ‘জানোয়ার’, ‘দামাল’ ও নেয়ামূলের ‘গাঙচিল’।

এছাড়া ইফতেখার চৌধুরীর ‘মুক্তি’ ও ইফতেখার শুভর ‘মুখোশ’ নামে দুটি ছবির শুটিং এখনও শুরু করেননি রাশেদ অপু।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র ‘রাত জাগা ফুল’ ছাড়া বাকি সব ছবিতে নেগেটিভ চরিত্রে কাজ করছি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে বেশিরভাগ ছবি। আমার অপেক্ষা যেন শেষ হচ্ছে না। ছবিগুলো মুক্তি পেলে হয়তো মানুষ বুঝতে পারবে কতটুকু চেষ্টা করেছি। চরিত্রগুলো নেতিবাচক হলেও বৈচিত্র থাকছে। তবে আমি চরিত্রগুলো নিয়ে পুরোপুরি তৃপ্তির কথা বলতে চাইনা। যেদিন পুরো তৃপ্তি আসবে সেদিন থেকে হয়তো প্রকৃত অভিনয় আসবে না। তবে কাজগুলো দেখলে মানুষ অভিনয়ে হয়তো সন্তুষ্ট হবে।

যে ছবিগুলোর শুটিং করেছেন সবগুলোই চ্যালেঞ্জিং এবং অ্যাডভেঞ্চারাস জার্নি হিসেবে উল্লেখ করে রাশেদ অপু বলেন, সবে তো জার্নি শুরু করলাম। এখনই পূর্ণ তৃপ্তি পেতে চাই না। নবাব এলএলবি, বর্ডার, জানোয়ার, দামাল ছবিগুলোর জন্য বাড়তি প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। সর্বশেষ ৭ টি ছবিতে আমার কথা ভেবেই চরিত্র গোছানো হয়েছে। রাফীর সঙ্গে তিনটি কাজ করলাম। ৯ দিন ‘দামাল’ এর শুটিং করে ফিরেছি। সে বরাবরই তার কাজে আমাকে স্পেস দিচ্ছে। মনে প্রাণে চাচ্ছি কাজগুলো রিলিজ হোক।