চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১’শ টাকা দেশে পাঠালে পাওয়া যাবে ১০২ টাকা

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের উপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। অর্থাৎ কেউ ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তিনি ১০২ টাকা পাবেন। গত ১ জুলাই থেকে এই প্রণোদনা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রেস বিফ্রিংয়ে মন্ত্রী এ কথা জানান।

বিজ্ঞাপন

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে ঘোষণা করেছিলাম রেমিট্যান্সের ওপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেবো। যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনও সুযোগ নেই।’

‘‘তবে যেহেতু ঘোষণাটি নতুন, তাই সিস্টেমটি চালু করতে পারিনি এখনও। এটি চালু করতে ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। এ বিষয়ে কোনো সমস্যা হবে না।’’

মন্ত্রী বলেন, গত ১ জুলাই থেকেই এই ঘোষণা কার্যকর হবে। তবে এ নিয়ে আলাদা একটি পরিপত্র জারি করা হবে। এরপরই এটি কার্যকর হবে।

বিজ্ঞাপন

প্রবাসীদের অনেকেই হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠায়। এতে মূলত দেশে কী পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে তার সঠিক হিসেব করা যায় না। তাই যাতে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠান সেজন্য তাদের উৎসাহ দিতেই সরকার এই প্রণোদনা দেয়ার ব্যবস্থা করেছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম রেমিট্যান্সে এ ধরনের প্রণোদনা দেওয়া হবে। আর এজন্য নতুন বাজেটে ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেছিলেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, রেমিট্যান্স পাঠানোয় বাড়তি ব্যয় কমানো এবং বৈধপথে অর্থ পাঠানোয় উৎসাহিত করতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থের ওপর আগামী অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে। ফলে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে এবং হুন্ডি ব্যবসা নিরুৎসাহিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) মোট ১ হাজার ৫০৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে, যা গত অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।

এর আগে গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ১৭ লাখ (১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা।

বর্তমানে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাকরি করছেন।

Bellow Post-Green View