চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হ্যানয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন

যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং সীমিত আকারে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২০ পালন করেছে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ প্রত্যুষে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংগীত সহকারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে দূতাবাসের স্বল্প সংখ্যক কর্মকর্তা/কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদ ও জাতীয় চার নেতার আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয় ।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রদূত দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা শীর্ষক আলোচনা করেন। ৩০ লক্ষাধিক শহীদের আত্মত্যাগ এবং ২ লক্ষাধিক নারীর নির্যাতন ও ত্যাগ শিকারের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা তিনি বিনম্র চিত্তে ও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ এবং অর্জনের উপর রাষ্ট্রদূত বক্তব্যে করেন ।

উল্লেখ্য, ১৭ মার্চ ২০২০ হতে ১৭ মার্চ ২০২১ বাংলাদেশ সরকার মুজিববর্ষ ঘোষণা করেছে; যেটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতিকে সাড়া বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে ভিয়েতনামে বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন কর্মসূচী, পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে ভিয়েতনাম সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে (ক) বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু উপর ম্যুরাল স্থাপন; (খ) ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ- ভাষণের ভিয়েতনামীজ ভাষায় অনুবাদ; এবং (গ) ভিয়েতনামে বঙ্গবন্ধু স্বারক ডাক টিকেট প্রকাশ।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ এবং ডেল্টা প্লান-২১০০ অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যে এবং ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ও জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সাথে কাজ করার আহব্বান জানান।

আলোচনায় বিশ্বে করোনা ভাইরাসে প্রাণ হারানো মানুষদের প্রতি গভীর দু:খ প্রকাশ করে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বাংলাদেশের জনগণসহ সারা বিশ্বের এই রোগ থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা এবং বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ থাকার জন্য সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে আহব্বান জানানো হয়।