চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হোয়াইট হাউজের সেই আয়োজন ছিল করোনার প্রবলবিস্তারকারী: ফাউসি

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফাউসি গত মাসে এক সমাবেশের আয়োজন করায় হোয়াইট হাউজের সমালোচনা করে বলেছেন, ওই আয়োজনের সঙ্গে করোনাভাইরাস ছড়ানোর সম্পর্ক রয়েছে।

হোয়াইট হাউসের করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের সদস্য ফাউসি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মনোনীত সুপ্রিমকোর্টে বিচারক হিসেবে একজন প্রার্থীর নাম প্রকাশের অনুষ্ঠান করা ছিলো করোনাভাইরাসের ‘প্রবলবিস্তারকারী আয়োজন’।

বিজ্ঞাপন

ওই অনুষ্ঠানের পরেই হোয়াইট হাউজের কয়েক ডজন কর্মী এবং অন্যদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন

সিবিএস নিউজ শুক্রবার ডা. ফাউসির কাছে হোয়াইট হাউসের ভাইরাস সতর্কতা হিসেবে মুখোশ পরা এবং সামাজিক দূরত্বে জোর দেওয়ার উপর অনীহা এবং তার পরিবর্তে নিয়মিত পরীক্ষার উপর নির্ভর করার বিষয়ে কী ভাবেন তা জানতে চায়।

জবাবে ফাউসি বলেন, তথ্যই কথা বলে।  হোয়াইট হাউসে করোনাভাইরাসের একটি প্রবলবিস্তারকারী আয়োজন ছিল এবং পরিস্থিতি এমন ছিল যে অনেক মানুষ একসাথে ভিড় করেছিল এবং কারো মুখেই মাস্ক ছিলো না।

“বিশেষজ্ঞরা গত ছয় মাস ধরে মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন এবং ট্রাম্প তার সাম্প্রতিক সামরিক হাসপাতালে সময়ে থাকার সময় পরীক্ষামূলক কোভিড-১৯ চিকিত্সার প্রসঙ্গে ব্যবহৃত ‘কিউর’ শব্দটির সমালোচনা করেছেন।”

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে উঠার পরে সম্পতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডাক্তাররা তাকে জনসম্মুখে অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছেন।

তিন রাত হাসপাতালে কাটিয়ে সোমবার ঘরে ফেরা ট্রাম্প শুক্রবার ফক্স নিউজে মেডিক্যাল ‘বিশ্লেষণ’ও করেন। আজ শনিবার হোয়াইট হাউজে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো কিছুর আয়োজন করবেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২ অক্টোবর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়। পরে তিন রাত হাসপাতালেও ছিলেন তিনি।  ৮ অক্টোবর থেকেই আবার ওভাল অফিসে কাজে ফিরেন ট্রাম্প।

২৬ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে অ্যামি কোনি ব্যারেটকে মনোনীত করার আয়োজনকে মহামারীর মূল বলে মনে করা হচ্ছে। যেহেতু সেখানে উপস্থিতির অনেকেই করোনা পজিটিভ হয়েছেন।

করোনাভাইরাসের কারণে এখনও দেশে বড় বড় সমাবেশ নিষিদ্ধ, তবে হোয়াইট হাউসতো তার ব্যতিক্রম।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৮ লাখ ৯৪ হাজার আর প্রাণ হারিয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ।