চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হু হু করে ভয়াবহ হারে বাড়ছে আক্রান্ত, আরও ২৫ জনের মৃত্যু

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৩৮২তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের সংখ্যা আবারও সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়েছে। যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। নতুন ২৫ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৭৬৩ জনে।

এর আগে গতবছরের ১৬ জুলাই এর চেয়ে বেশি রোগী শনাক্তের খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিন মোট ৩ হাজার ৭৩৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৭ হাজার ৫০২টি নমুনা পরীক্ষায় তিন হাজার ৫৬৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ১৪ হাজার ২৫৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৩০টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৬৮৬টি নমুনা।

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ৮০৮ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৯১৫ জনসহ মোট পাঁচ লাখ ২৭ হাজার ৯০৯ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ১৮ জন পুরুষ ও সাত জন নারী। তাদের মধ্যে সবারই হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা আট হাজার ৭৬৩। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫১ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ৬২৫ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৫ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং দুই হাজার ১৩৮ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৫ জনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব দুই জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব নয় জন এবং ষাটোর্ধ্ব ২৪ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ১৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিন জন, রাজশাহী বিভাগে একজন, বরিশাল বিভাগে এক জন, সিলেট বিভাগে এক জন ও রংপুর বিভাগে এক জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১২ কোটি ৪৯ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১০ কোটি নয় লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন