চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হাজিদের হঠাৎ জড়ো হওয়াই দুর্ঘটনার কারণ

গত ২৫ বছরের মধ্যে ভয়াবহতম এই দুর্ঘটনায় হজ ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন সৌদি বাদশাহ। মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করার সময় পদদলিত হয়ে ৪ বাংলাদেশীসহ কমপক্ষে ৭শ’ ১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সৌদি সরকার।

হজ পালনের সময় মিনায় শয়তানকে পাথর ছোঁড়ার সময় দুর্ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০০৬ ও ১৯৯৪-তেও পাথর ছোঁড়ার সময় পায়ের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান ৬শ’র বেশি মানুষ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৫ বছরে শুধু পদদলিত হয়েই মৃত্যু হয়েছে আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষের।

প্রতিবারই সৌদি সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও, কয়েক বছর পরপরই দুর্ঘটনা ঘটছে।

বৃহস্পতিবার মিনায় পদদলিত হয়ে মৃত্যুর জন্য হাজিদের দু’টি দলের ছোট একটি স্থানে হঠাৎ জড়ো হওয়াকে দায়ী করছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপন

সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, হাজিরা সময়সূচি মেনে চলেননি বলেই পদদলিতের ঘটনা ঘটেছে। সৌদি সরকার হাজিদের ওপর দায় চাপালেও এর বিরোধিতা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

তিনি বলেন, এ দুর্ঘটনার জন্য সৌদি সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ভুল পদক্ষেপই দায়ী। আর তাই, সৌদি সরকারকে দুর্ঘটনার দায় অবশ্যই নিতে হবে।

ইরানের হজ সংস্থা ওহাদি দাবি করেছে, পাথর ছোঁড়ার স্থানটিতে যাওয়ার ৫টি রাস্তার মধ্যে ২টি বন্ধ ছিলো আর সে কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

খামেনির মতোই সৌদি বাদশাহ সালমান আল সৌদও সরকারের অব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গ টেনেছেন। বাদশাহ্’র মতে, হজ আয়োজন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে আরো উন্নতি করা প্রয়োজন। 

দুর্ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সৌদি হজ কমিটির চেয়ারম্যান প্রিন্স মোহাম্মদ বিন নায়েফ। তদন্তের রিপোর্ট পেশ করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বাদশাহ সালমান।

Bellow Post-Green View