চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হাইকোর্টের আরও একটি ভার্চুয়াল বেঞ্চ

সব ধরনের জরুরি ফৌজদারী মোশন এবং এই সংক্রান্ত জামিন আবেদন শুনানির জন্য আরও একটি ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান এর এই ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

বিজ্ঞাপন

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো: আলী আকবর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবং শারীরিক উপস্থিতি ব্যতিরেকে সাধারণ ছুটিকালীন ও হাইকোর্ট বিভাগের অবকাশকালীন এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত “আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ- ২০২০” এবং সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক জারিকৃত প্রাকটিস ডাইরেকশন অনুসরণ করে প্রযুক্তির ব্যবহারে শুধু ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য এই বেঞ্চ গঠন করেছেন।’

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিচারপতি জে বি এম হাসান এর বেঞ্চে অতি জরুরি সকল প্রকার ফৌজদারী মোশন ও তৎসংক্রান্ত জামিনের আবেদন এই [email protected] ইমেইলে পাঠানো যাবে।’

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দীর্ঘদিন ধরে আদালত বন্ধ থাকায় অনেক আইনজীবী ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনার জন্য সোচ্চার হন। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ‘ফুল কোর্ট সভা’ থেকে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারির জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়।

সেই প্রেক্ষাপটে ভার্চুয়াল উপস্থিতিকে স্বশরীরে আদালতে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে “আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ- ২০২০” নামে গত ৯ মে একটি অধ্যাদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ।

এরপর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদেশক্রমে গত ১০ মে ভার্চুয়াল আদালত সংক্রান্ত কয়েকটি নির্দেশনা জারি করা হয়। যেখানে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ, হাইকোর্ট বিভাগ এবং অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের জন্য আলাদা আলাদা ‘প্র্যাকটিস নির্দেশনা’ দেয়া হয়। এছাড়া আইনজীবীদের জন্য প্রকাশ করা হয় ‘ভার্চুয়াল কোর্টরুম ম্যানুয়াল’।

এরই ধারাবাহিতায় করোনাভাইরাস কেন্দ্রিক সাধারণ ছুটি ও অবকাশকালীন ছুটি বা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভার্চুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত, তিনটি হাইকোর্ট বেঞ্চ ও অধস্তন আদালত পরিচালনার নির্দেশনা জারি করা হয়। এরপর গতকাল দেশে ভার্চুয়াল আদালতের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

আজ বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে হালদা নদীর বিপন্ন ডলফিন রক্ষার নির্দেশ দেন। যেটি দেশের ইতিহাসে ভার্চুয়াল কোন হাইকোর্ট বেঞ্চের দেয়া প্রথম আদেশ।