চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সড়ক নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর যে নির্দেশনা

হাজার ২৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কারও বাড়ির পাশ দিয়ে রাস্তা নিয়ে যাওয়ার জন্য বেশি সড়ক নির্মাণ করা যাবে না। এই ধরনের মানসিকতার বাইরে আসতে হবে। জমি সুরক্ষা করতে হবে। কারণ বেশি রাস্তা নির্মাণ করলে পানি চলাচলও বাধাগ্রস্ত হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, উনার (প্রধানমন্ত্রী) প্রথম মন্তব্য ছিল জামালপুরের সড়ক নিয়ে। সড়ক নির্মাণ ভালো। মেইনটেন্যান্স আরও ভালো। তবে একটা ভারসাম্য তৈরি করতে হবে। শুধু নির্মাণ করলে হবে না। আমাদের আর্থিক সক্ষমতা, টেকনিক্যাল সক্ষমতারও মাপজোক রাখতে হবে।

এম এ মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে খুব সচেতন হতে হবে। সড়ক চিন্তা করে বানাতে হবে। যাতে এটা আমাদের যথাযথভাবে কাজে লাগে, মেইনটেন্যান্স করা যায়। অপ্রয়োজনীয় কাজ যেমন- আমার বাড়ির পাশ দিয়ে রাস্তা যাবে, এই ধরনের মানসিকতার বাইরে আমাদের আসতে হবে। জমি সুরক্ষা করতে হবে, বেশি সড়ক নির্মাণ করলে জলাভূমির দেশে পানি চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া যাদের অল্প জমি রয়েছে এবং সেই জমিতে বাড়িঘর করে থাকছে, সেসব জমি অধিগ্রহণ থেকে যতটা সম্ভব বিরত থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

আজকের একনেক সভায় ১ হাজার ২৬৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা খরচে ৫টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ৪টি নতুন প্রকল্প এবং ১টি সংশোধিত প্রকল্প। প্রকল্পগুলোর সম্পূর্ণ অর্থায়ন করবে সরকার।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘জামালপুর জেলার দিগপাইত-সরিষাবাড়ি-তারাকান্দি সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্প। এতে ব্যয় হবে ২৭৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ৭৩টি কম্পোজিট/আধুনিক বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) নির্মাণ’ প্রকল্প। এতে খরচ হবে ২৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ৭৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘আটটি সরকারি শিশু পরিবারে ২৫ শয্যাবিশিষ্ট শান্তিনিবাস স্থাপন’ প্রকল্প। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ‘৪০টি উপজেলায় ৪০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও চট্টগ্রামে একটি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি স্থাপন (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প। এতে খরচ হবে ৩৩৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা।