চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্মিথের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার পুঁজি ২২৩

উইকেটে আসতে হয়েছে মাত্র দ্বিতীয় ওভারে। পরে খেলে গেলেন প্রায় শেষ অবধি। পথে দশের বোঝা একাই টানলেন স্টিভেন স্মিথ। তার একার প্রতিরোধে ফাইনালের পথে লড়তে অজিরা তুলতে পারল ২২৩ রান। বিপরীতে লক্ষ্যটা দুইশ সামান্য ওপারে আটকে লড়াই জমিয়ে রাখল মরগানের দল। যেটি টপকালেই ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শিরোপার মঞ্চে খেলবে স্বাগতিকরা।

বার্মিংহামে টস ভাগ্য অজিদের পক্ষে থাকলেও উইকেটের আচরণ ছিল রীতিমত ভয় জাগানিয়া! সেটিই পোড়াল। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে শূন্যরানে জফরা আর্চারের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। শুরুতেই তাই নেমে পড়তে হল স্মিথকে।

বিজ্ঞাপন

উইকেটের অন্যপ্রান্তে অজিদের অবস্থা তখন আরও করুণ। তৃতীয় ওভারে ক্রিস ওকসের হঠাত লাফিয়ে ওঠা বাউন্সার বুঝতে না পারে স্লিপে ক্যাচ দিলেন ৯ রান করা ডেভিড ওয়ার্নার। চার ওভার বাদে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নামা পিটার হ্যান্ডসকম্বের স্টাম্প উড়িয়ে দিলেন ওকসই। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ঘোর বিপদে অস্ট্রেলিয়া।

সেই মহাবিপদ থেকে অজিদের উদ্ধার নামলেন স্মিথ ও উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারি। দুজন মিলে রানের চেহারাটা মোটামুটি একটা জায়গায় নিতেই আবারও আঘাত। তবে এবার উইকেট নয়, আর্চারের বাউন্সার হেলমেট গলে আঘাত হানে ক্যারির মুখে। পরে রক্তাক্ত মুখে ব্যান্ডেজ বেঁধেই বেশকিছুক্ষণ লড়েছেন অজি উইকেটরক্ষক।

বিজ্ঞাপন

সেটিও বেশিক্ষণ নয়। চলতি বিশ্বকাপে চতুর্থ অর্ধশতক থেকে চার রান দূরে ধৈর্য্য হারান ক্যারি। আদিল রশিদকে মিডঅন দিয়ে করতে চাইলেন মাঠছাড়া। সেখানে জেমস ভিন্স থাকায় আর ছয় পাওয়া হয়নি ক্যারির।

ক্যারি ফিরতেই আবারও ধস। চার বল বাদে মার্কাস স্টয়নিসকে রান করার সুযোগই দেননি রশিদ। কয়েক ওভার পর আর্চারের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ২২ রানে ফিরে যান অজিদের অন্যতম ভরসা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

একের পর এক বাকি সতীর্থদের বিদায়ে একাই লড়েছেন স্মিথ। ৬ চারে ১১৯ বলে ৮৫ করে ইনিংসের ১৭ বল বাকি থাকতে রানআউটে থামে তার ইনিংস। ততক্ষণে লড়াই করার মতো মোটামুটি রান দাঁড়িয়ে গেছে।

৩টি করে উইকেট পেয়েছেন ওকস ও আদিল রশিদ। ২ উইকেট পেয়েছেন আর্চার। বোলারদের গড়ে দেয়া মঞ্চে বাকি কাজটা এখন রুট-রয়দের।

Bellow Post-Green View