চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব’

স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। করোনা পরিস্থিতি কতদিন থাকবে আর কবেই বা শতভাগ শিক্ষার্থীকে সরকারের পক্ষে স্মার্ট ফোন কিনে দেয়া সম্ভব হবে-সেই অপেক্ষায় না থেকে খুব দ্রুত সেমিস্টার ফাইন পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্তে আসা উচিত।

শনিবার “করোনাকালীন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা বিষয়ে করনীয়” শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ এগ্রিবিজনেস সোসাইটি ও আগামীর বাংলাদেশ আয়োজিত সেশনে কথা বলেন ছিলেন-সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. সাদেকা হালিম, প্রফেসর ড. মোঃ মোজাহার আলী, প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজীম, প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড.মোঃ নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড.মোঃ মিজানুর রহমান সরকার, ড.জেবুন্নছা জেবা, বাংলাদেশ এডুকেশন রিপোর্টস ফোরাম (বিইআরএফ) সভাপতি মোস্তফা মল্লিক ও সাধারণ সম্পাদক এস.এম আব্বাসসহ বিভিন্ন সাংবাদিক।
কাউয়ুম কাফি ও আবাসসুম আলী মাইশা সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান বেলা ৩টায় শুরু হয়ে শেষ হয় পৌনে ৫টায়।
আলোচনায় সকল বক্তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন।

বিজ্ঞাপন

সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরাসরি ও অনলাইনে সেমিস্টার ফাইনাল নেওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশ মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেন করোনাকালীন সময়ে ইউজিসি ভূমিকা উল্লেখ করেন এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেমিস্টার ফাইনাল বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা প্রয়োজন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাদেকা হালীম বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষার পাশাপাশি সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষের নিয়ে চিন্তা করা উচিত।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জেবুন্নছা জেবা বলেন, সদিচ্ছা, জবাবদিহিতা ও আন্তরিকতা থাকলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বিইউপি করোনাকালীন সময়ে অনলাইন ক্লাস ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার জন্য অনন্য উদাহরণ বলে মনে করেন।