চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্পেস বেলুনে মহাবিশ্ব ভ্রমণে যাবে মানুষ

মহাবিশ্বের একের পর এক অজানা রহস্যের উন্মোচন অবাক করে দেয় পৃথিবীর মানুষকে। মহাবিশ্বের সেসব রহস্য দৃশ্যমান করে তুলতে থ্রিডি পদ্ধতিতে মহাবিশ্বের ভিজ্যুয়াল রিপ্রেজেন্টেশন এই অজানার প্রতি আরও আগ্রহী অরে তোলে সবাইকে। কিন্তু এবার ভিজ্যুয়ালি এই অনুভূতি নেয়া নয় বরং মানুষ সরাসরি এই রহস্য দেখতে পাড়ি জমাতে পারবে মহাবিশ্বে।

এমন তথ্যই জানিয়েছে পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় বিলাসবহুল স্পেসফ্লাইট এক্সপেরিয়েন্স কোম্পানি হিসেবে খ্যাত স্পেস পার্সপেক্টিভ। সম্প্রতি তারা একটি ভবিষ্যত স্পেস বেলুন ‘স্পেসশিপ নেপচুন’ উন্মোচন করেছে যার মাধ্যমে যাত্রীদের ছয় ঘণ্টার একটি রাউন্ড-ট্রিপ ভ্রমণের মাধ্যমে মহাকাশের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হবে এবং আবার ফিরিয়ে আনা হবে৷ খবর এনডিটিভি’র।

Reneta June

নেপচুনের আরোহন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে ৯৯ শতাংশ উপরে এবং মহাকাশের প্রান্তে অবস্থিত বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞাপন

এর ওয়েবসাইটের তথ্য মতে, এবার মহাকাশ ভক্তরা তাদের এই মহাবিশ্ব যাত্রায় নেপচুনের একটি আরামদায়ক লাউঞ্জের ভিতরে থেকে পৃথিবীর ৩৬০ডিগ্রি ভিউ পেতে পারে। এই মহাকাশযানের ইন্টেরিওর ডিজাইনকে অত্যাধুনিক শৈলী হিসেবে বর্ণনা করেছে কোম্পানিটি এবং তারা বর্তমানে এর ইন্টেরিওর সেটিংস এবং ভ্রমণকারীরা এতে চেপে যে সব দৃশ্য দেখতে পাবেন তার ভার্চুয়াল ট্যুরের ব্যবস্থা করেছে।

কোম্পানিটির মতে, স্পেসশিপ নেপচুন হল ‘বিশ্বের একমাত্র কার্বন-নিরপেক্ষ মহাকাশযান’। স্পেস পার্সপেক্টিভ তার সুইশ কেবিনের চিত্র প্রকাশ করেছে এবং তারা ২০২৪ সালের শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ শুরু করবে বলে আশা করছে।

এর ওয়েবসাইট অনুসারে, মহাকাশে ভ্রমণ ইচ্ছুকদের প্রতি সিট এক লক্ষ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার খরচ বহন করে এই ভ্রমণ উপভোগ করতে হবে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে ছয় ঘণ্টার এই যাত্রায় স্পেসশিপ নেপচুনের ৩৬০ ডিগ্রি প্যানোরামিক উইন্ডোগুলো সমস্ত কোণ থেকে পৃথিবী এবং নক্ষত্র দেখার সুযোগ করে দিবে।

বিলাসবহুল এই লাউঞ্জের ভিতরে চেয়ার, টেবিল, খাট এবং একটি ককটেল মেনু থাকবে। এতে স্কাইলাইট সহ একটি বাথরুমও রয়েছে। স্পেসশিপটিতে একটি টেলিস্কোপ, ইন্টারেক্টিভ স্ক্রিন এবং ওয়াইফাই সংযোগও থাকবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।