চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

স্ত্রীর করা মামলায় সামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ভারতীয় দলের পেসার মোহাম্মদ সামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এই মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে খেলা কোহলির দলের এই পেসারকে ১৫ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের সময় বেধে দেয়া হয়েছে। অন্যথায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ রয়েছে আলিপুর আদালতের।

সামি ও তার ভাই হাসিব আহমেদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলায় আদালতে অভিযোগ করেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটারের স্ত্রী হাসিন জাহান। তার ভিত্তিতে সোমবার শুনানি ছিল। সেখানে বিচারক বউ নির্যাতন মামলায় সামি ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

সামি এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে থাকায় তাকে আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য ১৫ দিন সময় দিয়েছেন আদালত। কিন্তু তার ভাইয়ের ক্ষেত্রে সোমবার থেকেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসিন জাহানের আইনজীবী।

এর আগে সামি সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন তার স্ত্রী হাসিন জাহান। ফেসবুকে একাধিক পোস্ট করে হাসিন দাবি করেন, সামির একাধিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। শুধু তাই নয়, তাকে মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারও করেন সামি।

বিজ্ঞাপন

সব অস্বীকার করে টুইটারে সামি লেখেন, ‘আমাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, তা একেবারেই মিথ্যা, বানোয়াট। এটা আমাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র।’

সামির স্ত্রী তার বক্তব্যের সমর্থনে একাধিক ছবি পোস্ট করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। হাসিন জানান, ‘যা কিছু জানিয়েছি তা কোনো হিমশৈল্যের চূঁড়া মাত্র। সামির কাণ্ডকারখানা আরও নোংরা। একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ওর।’

হাসিন জাহানের দাবি তিনি সামির একাধিক সম্পর্কের কথা জেনেছেন একটি ফোন থেকে। ওই ফোন তিনি পেয়েছেন সামির গাড়িতে। ফোনটি ২০১৪ সালে সামিকে উপহার দিয়েছিল দিল্লি ডেয়ারডেভিলস।

শুধুমাত্র অভিযোগই নয়, ভারতের এই স্পিড স্টারের বিরুদ্ধে তখন আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেছিলেন হাসিন। তার দাবি, সামির মা ও ভাই তাকে গালিগালাজ করেন। এমনকি তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছেন। গত সাউথ আফ্রিকা সফর থেকে ফিরে একবার তাকে মারধরও করেছেন সামি।

পরে বিভিন্ন ইস্যুতে সামির বিরুদ্ধে মামলা করেন হাসিন। সেই মামলায়ই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হল।

Bellow Post-Green View