চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘সৌভাগ্যের ব্যাপার, বিরাট অর্জন, বিরাট সুযোগ’

প্রসঙ্গ, টেস্টে বাংলাদেশি আম্পায়ার

টেস্ট ক্রিকেটে ২১ বছরের পথচলায় আইসিসির এলিট প্যানেলভুক্ত হতে পারেননি বাংলাদেশি কোনো আম্পায়ার। মূলত দীর্ঘ পরিসরের ম্যাচ পরিচালনার জন্যই করা হয় এলিট প্যানেল। করোনা পরিস্থিতি বাংলাদেশি আম্পায়ারদের সেই সাদা পোশাকে ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ করে দিচ্ছে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আম্পায়ারিং পলিসিতে বদল এনেছে আইসিসি। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ঝুঁকি মাথায় রেখে স্বাগতিক দেশের আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি মাঠে নামানোর নির্দেশ এবছরই দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। যার সুফল আসছে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্টের আসন্ন হোম সিরিজ পরিচালনায় দেখা যেতে পারে দেশের আম্পায়ারদের। ব্যাপারটিকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন আম্পায়ারিং থেকে অবসর নেয়া জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক মনি। রোববার মিরপুরে আম্পায়ারিং কোর্স পরিচালনার ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি।

‘অবশ্যই, অবশ্যই সুযোগ। টেস্ট ম্যাচে আম্পায়ারিং করা সৌভাগ্যের ব্যাপার এবং বিরাট অর্জন, বিরাট সুযোগ। আমার মনে হয় বাংলাদেশের আম্পায়ারদের জন্য একটা সুযোগ হতে যাচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন

‘এখনো পর্যন্ত জানি যে স্বাগতিক আম্পায়াররাই আম্পায়ারিং করবে। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে আমরা পারফরম্যান্স যদি মাঠে এবং টিভিতে ভালো করতে পারি, তাহলে আমার মনে হয় বাংলাদেশি আম্পায়ারদের নিয়ে আইসিসির দ্বিতীয় চিন্তা আসবে যে, আমাদের আম্পায়াররা উপরে যাওয়ার যোগ্য।’

এপর্যন্ত টেস্ট পরিচালনার স্বাদ পেয়েছেন বাংলাদেশের চার আম্পায়ার। যখন একজন স্বাগতিক আম্পায়ার রাখার সুযোগ ছিল, তখন বাংলাদেশের দুটি টেস্ট ম্যাচ পরিচালনা করেছেন এএফএম আখতারউদ্দিন, একটি করে মাহবুবুর রহমান ও শওকাতুর রহমান।

২০০২ সালের পর এনামুল হক মনিই কেবল দাঁড়াতে পেরেছেন টেস্ট ম্যাচে। ২০১২ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ান রড টাকারের সঙ্গী ছিলেন তিনি। মনি ২০১৫ সালে অবসর নেন আম্পায়ারিং থেকে। এখন স্থানীয় আম্পায়ারদের প্রশিক্ষক।