চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সৌন্দর্য নয়, মেধা দিয়েই হলিউডে রাজ করছেন ব্র‌্যাড

হলিউডের অন্যতম সুদর্শন ও স্মার্ট নায়ক হিসেবে পরিচিত ব্র্যাড পিটের জন্মদিন ১৮ ডিসেম্বর। প্রথম দিকে সবার ধারনা ছিল শুধুমাত্র সৌন্দর্যের জোরেই হলিউডের দুনিয়ায় আগমন ঘটেছে তাঁর। কিন্তু সব সমালোচককে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পিট প্রমাণ করেছেন, মেধার দিক থেকে কোন শক্তিশালী অভিনেতা থেকে কম যান না ৫৪ বছর বয়সী এই অভিনেতা।

তিন দশকে প্রায় ৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ব্র্যাড পিট শুধু বক্স অফিসকেই সন্তুষ্ট করেননি, অভিনেতা হিসেবে জয় করেছেন সমালোচকদের মনও। চ্যানেল আই অনলাইন পাঠকদের জন্য ব্র্যাড পিটের ৫৪তম জন্মদিনে থাকল তাঁর অভিনীত আলোচিত পাঁচটি চলচ্চিত্রের কথা-

ফাইট ক্লাব
এখন পর্যন্ত ব্র্যাড পিটের অভিনয় জীবনের অন্যতম সেরা কাজ বলা যায় ‘ফাইট ক্লাব’ এর টেইলর ডারডেন চরিত্রটি। অপরাধী, বিদ্রোহী এবং এক খারাপ ‘ইমেজ’ ধরে রাখা মানুষের চরিত্রের অসাধারণ সমন্বয় পিট ফুটিয়ে তুলেছিলেন ১৯৯৯ সালে তৈরি এই চলচ্চিত্রে। পরিচালক ডেভিড ফিঞ্চার ও অন্যান্যদের দারুণ রসায়ন শুধু নয়, বলা হয় ব্র্যাড পিটের বহুমুখী ও রহস্যময় চরিত্রটিই ‘ফাইট ক্লাব’কে এতটা সফল করেছে।

বিজ্ঞাপন

মানিবল
২০১১ সালে বিলি বিনের চরিত্রে সবার সামনে ব্র্যাড পিট হাজির হন ‘মানিবল’ চলচ্চিত্রে। ওকল্যান্ড অ্যাথলেটিকস বেসবল টিমের জেনারেল ম্যানেজার বিলি বিন নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতীজ্ঞ। অদম্য সাহস আবার কিছুটা নিজের প্রতি অবিশ্বাসের এক মিশেল চরিত্রে বিলি বিন হয়ে ওঠে মানুষের পছন্দের চরিত্র।

ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস
‘ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস’ চলচ্চিত্রে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমান্ডো হিসেবে লেফটেনেন্ট আল্ডো রেইনের চরিত্রটিকে বলা যায় ব্র্যাড পিটের অভিনয় জীবনের সবচেয়ে বিপজ্জনক চরিত্র। আল্ডোর চরিত্রে তাঁকে যেমন অনেকে বিশ্বাসই করতে পারেননি, তেমনি যারা দেখেছেন তাঁর সেই অভিনয় ভুলতেও পারেননি। উচ্চারণের ভিন্নতা, রসবোধ আর সময়জ্ঞানের সমন্বয় এই চলচ্চিত্রে পিটকে করে তুলেছে আরও অনবদ্য।

দ্য ট্রি অব লাইফ
রুপালি পর্দায় ব্র্যাড পিটের সবচেয়ে জটিল চরিত্র বলা যায় ‘দ্য ট্রি অব লাইফ’ চলচ্চিত্রের মি ও’ব্রিন চরিত্রটি। ‘ড্যাড’ না বলে ‘ফাদার’ বলে ডাকতে জোর দেয়া এই চরিত্র যখন তখন সামান্য কারণে সন্তানের উপর হাত তুলতে দ্বিধাবোধ করেন না। আবার সন্তানের প্রতি অপত্য স্নেহও লালন করেন নিজের হৃদয়ের গভীরে। দর্শক খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছিল তাঁর এই চলচ্চিত্র।

ওশেন’স এলিভেন
জর্জ ক্লুনি ও জুলিয়া রবার্ট অভিনীত ‘ওশেন’স এলিভেন’ এ ব্র্যাড পিট অভিনয় করেছিলেন পার্শ্বচরিত্রে। কিন্তু রাস্টি রায়ানের সেই চরিত্রও জনপ্রিয় হয়েছে তুমুলভাবে। সুন্দর, সুদর্শন ব্র্যাড পিটকে দর্শক এই চলচ্চিত্রে আবিষ্কার করেছে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে।

বিজ্ঞাপন