চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সেনানিবাস থেকেই দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনী

আসন্ন সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে সেনানিবাস থেকেই দায়িত্ব পালন করবে। বিগত নির্বাচনগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং তাদের টহল দিতে দেখা গেলেও এবারের তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে। তবে জরুরী মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসার সেনা মোতায়েনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

এই মর্মে সেনাবাহিনীকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা শামসুল আলম সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল অফ স্টাফকে গতকাল (বুধবার) হাতে হাতে চিঠিটি পৌঁছে দিয়েছেন।

আগামী ২৬-২৯ এপ্রিল পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে নির্বাচনকালীন ‘স্ট্রাইকিং ফোর্সে’র ভুমিকায় দেখা যাবে।

Advertisement

বিএনপির পক্ষ থেকে সেনা মোতায়েনের দাবির প্রেক্ষিতে এবং কেন্দ্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় ২১ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেসময় নির্বাচন কমিশনার শাহনেওয়াজ বলেছিলেন, ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সব পক্ষের স্বস্তির জন্য সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার পরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সর্মথিত প্রার্থীরা সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সেইসাথে কোনো কোনো প্রার্থী সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ারও দাবি করে আসছিলেন।

রাজধানীর ২ সিটি করপোরেশন এর ১ হাজার ৯শ ৮২টি ভোটকেন্দ্রর মধ্যে সবকটি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে ৪ দিনের জন্য স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী অন্যদিকে কেন্দ্রের পাহারায় থাকছে প্রায় ৬৫ হাজার আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।