চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিচারপতি আবু সাইদ আহম্মদের জানাজা অনুষ্ঠিত

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির ( সুপ্রিমকোর্ট বার) সাবেক সম্পাদক ও সাবেক বিচারপতি আবু সাইদ আহম্মদের নামাজে জানাজা সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাবেক এ বিচারপতি শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টায় রাজধানীর ওয়ারীর নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না … রাজেউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বিজ্ঞাপন

শনিবার বাদ জোহর তার নামাজে জানাজা সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সুপ্রিমকোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিগন, এটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্ট বার এর সভাপতি এএম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিমকোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিষ্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সিনিয়র আইনজীবী, সুপ্রিমকোর্ট বার এর সাবেক ও বর্তমান বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনের কর্মকর্তাগনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার অনেকে জানাযায় অংশ নেন।

জানাযা শেষে মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

বিচারপতি আবু সাইদ আহম্মদের পূত্র সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ব্যারিস্টার মাসুদ আহম্মদ সাইদ শিবলী বাসস’কে জানান, তার পিতা বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনিসহ তার আরো দুই বোন রয়েছেন। তারা সকলেই আইনজীবী। আজ বাদ মাগরিব শেষে জানাযার পর গাজীপুরের কালীগঞ্জের নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

সুপ্রিমকোর্ট বার সম্পাদক ব্যারিষ্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিচারপতি আবু সাইদ আহম্মদের কর্মজীবনের বৃত্তান্ত তুলে ধরেন এবং জানাযা নামাজ পূর্ব অনুষ্ঠান সুপ্রিমকোর্ট বার এর রীতি অনুযায়ী সঞ্চালনা করেন।

বিচারপতি আবু সাইদ আহম্মদের মৃত্যুতে শোক ও দূঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, এটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্ট বার সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন, সম্পাদক ব্যারিষ্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন।

বিচারপতি আবু সাইদ আহম্মদের জন্ম ১৯৩৮ সালের ২৩ আগষ্ট ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তিনি ১৯৫৪ সালে এসএসসি, ১৯৫৬ সালে এইচএসসি, ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৫৮ সাল বিএ, সিটি ল’ কলেজ থেকে ১৯৬১ সালে এলএলবি সম্পন্ন করেন। ১৯৬৩ সাল থেকে ঢাকা বার-এ আইন পেশা শুরু করেন, ১৯৬৬ সাল থেকে হাইকোর্টে প্র্যাকটিস শুরু করেন। ১৯৯২ সাল থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং ২০০২-২০০৩ সালে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।