চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘সীমান্তে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি, সব সময় প্রস্তুত আছি’

সীমান্তে মিয়ানমারের সৈন্য সমাবেশের প্রতিক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেছেন, আমরা যেকোনো সময়, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকি। এটা নতুন কিছু নয়। বর্তমান পরিস্থিতি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মিয়ানমার সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে, সেখানে আমাদের কী ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে? জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি সীমান্তে মাঝে মাঝেই সৈন্যসামন্ত বৃদ্ধি করে বা অবস্থান করে। এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাদের জানানো হয়েছে। তাদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে আমাদের সচিব পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে সেনা মোতায়নের কারণের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকি। এটা নতুন কিছু নয়।’

বিজ্ঞাপন

সীমান্তে সেনা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আছে কি-না জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আর আমরা সবসময় প্রস্তুত থাকি। আমাদের রোহিঙ্গাসহ নানা সমস্যা রয়েছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বন্ধুসুলভ আচারণ করে যাচ্ছি। আমাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হলো, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। প্রধানমন্ত্রীসহ বঙ্গবন্ধু নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চলছি।’

বিজিবি ও বিএসএফের বৈঠকে সীমান্তে হত্যার বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই মুহুর্তে আমার কাছে এজেন্ডাগুলো নেই। তবে এসব বিষয় আলোচনা হবে। তাদের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব সুলভ সম্পর্ক রয়েছে। তাই তাদের সঙ্গে যেসব বিষয়ে সমস্যা রয়েছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।’

দেশের কারাগারগুলোতে হঠাৎ করে জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তা বা কারারক্ষী বাড়ানো হয়েছে– এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান বলেন, ”আমাদের কারাগারগুলো সুরক্ষিত করার জন্য এটা করা হয়েছে। আপনারা জানেন, কারাগার থেকে আমাদের একজন আসামি কারারক্ষীদের দুর্বলতার কারণে কারাগার থেকে পালিয়েছে। সেজন্যই আমরা কারাগারকে আরো শক্তিশালী করছি। যাতে করে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। আমরা সেখানে পাহারা বৃদ্ধি করছি সেটা নয়, কারাক্ষীদের দায়িত্ব যেন সঠিকভাবে পালন হয় সে ব্যবস্থা করেছি। আমরা জঙ্গির মূল উৎপাটন করে দিতে পারিনি, তবে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি।”

লালমনিরহাটের কারাগারে উড়ো চিঠির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের উড়ো চিঠি ও কাগজ আমাদের কাছে সব সময় আসে ও বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে থাকে। এ বিষয়ে আমরা কখনো মনোযোগ দিই না। তবে আমরা সবসময় তথ্যভিত্তিক কাজ করে থাকি। আমাদের কাছে যখন গোয়েন্দা তথ্য আসে তখনই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। উড়ো চিঠি যেগুলো আসছে সেগুলো গোয়েন্দাদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। তারা যদি মনে করেন এগুলোর কোনো তথ্য আছে তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’