চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সিনহা হত্যা: তদন্ত কমিটি আরও ১ সপ্তাহ সময় চেয়েছে

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনা তদন্তে গঠিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কমিটি আরও এক সপ্তাহ সময় বাড়াতে আবেদন করেছে।

বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে সিনহা হত্যার ঘটনা তদন্তে গঠিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি দ্বিতীয়বারের মতো নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় সময় চেয়েছে।

কমিটির প্রধান মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার মূল অভিযুক্ত টেকনাফ থানা থেকে বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এর সাথে তদন্ত কমিটির কথা বলার সুযোগ হয়নি এখনো। যেদিন আমরা তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সময় রেখে ছিলাম, সেদিন তদন্তকারী সংস্থা প্রদীপকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায়।’

‘‘ফলে আমাদের কাজ কিছুটা বাকি থেকে যায়। সে কারণে নির্ধারিত ২৩ আগস্ট রিপোর্ট জমা দিতে পারছি না। ইতিমধ্যে আমরা এক সপ্তাহের সময়ের আবেদন করেছি। তদন্ত কমিটি সরকারকে বেশ কিছু সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন জমা দেবে।’’

বিজ্ঞাপন

ঘটনার পর গঠিত তদন্ত কমিটিকে প্রথমে ১৬ আগস্ট এর মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সে সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় কমিটিকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৩০ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান।

তিনি বলেছেন, তদন্তের স্বার্থে মূল অভিযুক্ত বরখাস্তকৃত প্রদীপ কুমার সাথে কথা বলা প্রয়োজন। সে কারণে এক সপ্তাহের সময় চেয়েছেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের ভেঙে দেওয়ার সময় ২৩ আগস্ট রোববারের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার টার্গেট নিয়ে তদন্ত কমিটি পুরোদমে কাজ করেছিল। এ পর্যন্ত ৬০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত কমিটিকে দেওয়া গাইডলাইন অনুযায়ী ঘটনার উৎস ঘটনার কারণ ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হবে বলেও জানান তদন্ত কমিটির প্রধান।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পিছিয়ে গেল।

গত ২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে গঠন করে দেওয়া তদন্ত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সাজ্জাদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ জাকির হোসেন ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহজাহান আলী।