চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সাড়া ফেলেছে বিয়ের গানের সেই তারকাবহুল মিউজিক ভিডিও

বিয়ে বাড়ি। লাল-নীল-হলুদ জলমলে বাতি। চারপাশে মানুষের হইহই রইরই ব্যাপার। থেমে নেই বাবুচ্চিদের রান্নার তোড়জোড়। চট্টগ্রামের কনের সঙ্গে ঢাকার সাইবেরিয়া ফেরত পিতার পুত্রের সঙ্গের বিয়ে বলে কথা!

কাজী বিয়ে পড়াতে বসে আছেন। এর মধ্যেই বর-কনের দুই পরিবারের মধ্যে কাবিন নিয়ে ওঠে দ্বিমত। এভাবেই শুরু হয় ‘কাবাবের হাড্ডি’ গান ভিডিও গল্প। তবে শেষটা অন্যরকম। এমন আয়োজনে গান ভিডিও নির্মাণ করলেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ খ্যাত নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি।

বিজ্ঞাপন

রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় গানচিল মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে এ গান ভিডিওটি উন্মুক্ত হয়েছে। যা প্রকাশের পরেই সাড়া ফেলেছে। তারকাবহুল এ মিউজিক ভিডিওতে দেখা গেছে, একাধিক পরিচিতি মুখ। রয়েছেন মারজুক রাসেল, শবনম ফারিয়া, জিয়াউল হক পলাশ, মাশরুর এনাম প্রমুখ।

এ গান দিয়ে প্রায় ৯ বছর ফের গান ভিডিওতে দেখা গেল অভিনেত্রী শবনম ফারিয়াকে। গানটিতে কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি ভিডিওর বাড়তি চমক প্রতীক হাসান ও প্রীতম হাসান। সুর সংগীত করেছেন প্রীতম হাসান।

‘কাবাবের হাড্ডি’ গানের মাধ্যমে প্রথমবার গান ভিডিও নির্মাণ করলেন কাজল আরেফিন অমি। তিনি জানান, তিনি পরিচালনা করলেও মিউজিক ভিডিওটির সুপারভাইজার হিসেবে নেপথ্যে কাজ করেছেন জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতা আদনান আল রাজীব।

পুরোপুরি উৎসব মুখর আয়োজনে ‘কাবাদের হাড্ডি’ গানটি প্রসঙ্গে কাজল আরেফিন অমি বলেন, এর আগে প্রায় ৩০ টির মতো মিউজিক ভিডিও পরিচালনার প্রস্তাব না করে দিয়েছি। কিন্তু আদনান ভাই (আদনান আল রাজীব) এ গান শুনিয়ে যখন প্রস্তাব দিলেন, তখন আর না করতে পারিনি। মনে হচ্ছিল, এমন একটি গানের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।

তিনি বলেন, যেহেতু বিয়ের গান, তাই বিয়ে অনুষ্ঠানেও গানটি পারফর্ম করার মতো। অনেকে হয়তো তাই করবেন। সবমিলিয়ে কাজটি উপভোগ্যের হয়েছে। দর্শক সাদরে গ্রহণ করেছেন, ইতিবাচক অনুপ্রেরণা পাচ্ছি।

শবনম ফারিয়া বলেন, আদনান আল রাজীবের নাটক দিয়েই আমার অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু। তিনি সঙ্গে থাকায় কাজটি করা বড় এক কারণ। প্রীতমের গান খুব ভালো লাগে। অমি একমাত্র পরিচালক যাকে বন্ধু হিসেবে তুই সম্বোধন করি। সবমিলিয়ে পুরো কাজের প্লানিং ভালো ছিল।

এবারই প্রথম মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করলেন জিয়াউল হক পলাশ। ‘কাবাবের হাড্ডি’ নিয়ে তিনি বললেন, ‘এটি আমার অভিনীত প্রথম মিউজিক ভিডিও। শুটিংয়ে বৃষ্টির ভয় ছিল। তবে কোনো অসুবিধা ছাড়াই কাজটি সম্পন্ন করেছি।’

যোগ করে পলাশ বলেন, প্রতীক হাসান ও প্রীতম হাসানের আগের দুই গান ‘বিয়ানসাব’ ও ‘গার্লফ্রেন্ডের বিয়া’ থেকে ‘কাবাবের হাড্ডি’ যেন আলাদা হয় শুরু থেকে এ ভাবনা মাথায় নিয়ে কাজ করেছি। সবমিলিয়ে পুরো কাজটাই চ্যালেঞ্জ নিয়ে করেছি। প্রকাশের পর থেকে দর্শক প্রশংসা করছেন। মনে হচ্ছে আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রম স্বার্থক।