চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সালমা-রুমানাদের জন্যও ‘ইয়ো-ইয়ো টেস্ট’

সাকিব-তামিম-মুশফিকদের ক্ষেত্রেই শুধু নয়, খেলোয়াড়দের ফিটনেস টেস্টের অধিক প্রচলিত পদ্ধতি চালু হল বাংলাদেশের মেয়েদের ক্রিকেটেও।

সালমা-রুমানাদের জন্যও বাধ্যতামূলক হয়ে যাচ্ছে ইয়ো ইয়ো টেস্ট। দেশের নারী ও পুরুষ দলের ক্রিকেটাররা আগে দিতেন বিপ টেস্ট।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বুধবার মিরপুর একাডেমি মাঠে ৩২ ক্রিকেটারকে নিয়ে শুরু হয়েছে নারী দলের দুই সপ্তাহের অনুশীলন ক্যাম্প। আগেরদিন ইয়ো ইয়ো টেস্টের মাধ্যমে হয়েছে তাদের ফিটনেসের পরীক্ষা।

ফিটনেস যাচাইয়ে ইয়ো-ইয়ো টেস্টের ধারণাটি বাংলাদেশে নতুন। গত বছরের অক্টোবরে জাতীয় দলের পুরুষ ক্রিকেটাররা ক্যাম্পে অংশ নেন ইয়ো ইয়ো টেস্ট দিয়ে। জাতীয় লিগের জন্য প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের ফিটনেস যাচাইও হচ্ছে একই পদ্ধতিতে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অধীনে থাকা সব দলের জন্যই ইয়ো ইয়ো টেস্ট বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ধীরে ধীরে ব্যাপকতা বাড়াচ্ছে বিসিবি।

ইয়ো ইয়ো টেস্ট এ মুহূর্তে বিশ্বের বেশিরভাগ খেলাধুলায় সবচেয়ে জনপ্রিয় ফিটনেস পরীক্ষা হিসেবে স্বীকৃত। গোল গোল চাকতি রেখে বিভিন্ন দূরত্ব নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পেরোতে হয়। পরীক্ষার বিভিন্ন লেভেল বা স্তরও আছে। যত উপরের স্তরে যেতে পারবে, তত ফিটনেস ভালো।

ভারতের মেয়েদের ক্ষেত্রে ইয়ো ইয়ো টেস্ট বাধ্যতামূলক হয় ২০১৭ সালে। বছরখানেক আগে বাংলাদেশের মেয়েরা পরীক্ষামূলক ভাবে এই টেস্ট দিয়েছিলেন ভারতীয় ট্রেনার কবিতা পান্ডে’র অধীনে।

টাইগ্রেস ওপেনার মুর্শিদা খাতুন হ্যাপি চ্যানেল আই অনলাইনকে বললেন, ‘ইয়ো ইয়ো টেস্টের সঙ্গে আমরা কিছুটা পরিচিত। আগেও একবার হয়েছিল। পরে আবার বিপ টেস্টে ফিরে আসি। এখনকার ক্রিকেটে ফিটনেস খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফিটনেসের মানদণ্ড কঠিন হলে আমাদের জন্যই ভালো। ভারতসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই ইয়ো ইয়ো টেস্ট দেয়।’