চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সাবেক প্রেমিকার নজিরবিহীন আক্রমণে রোনালদো

এক মার্কিন নারীর ধর্ষণ অভিযোগ নিয়ে চলমান বিতর্কের মাঝে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাশে দাঁড়িয়েছেন বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ। সিআর সেভেনকে সমর্থন করে ভালোবাসার বার্তাও দিয়েছেন তার বান্ধবী।

কিন্তু বর্তমান বান্ধবী পাশে থাকলেও সাবেক বান্ধবীর নজিরবিহীন আক্রমণের শিকার হলেন পর্তুগিজ তারকা। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সুপারস্টারকে মানসিক বিকারগ্রস্ত ও মিথ্যাবাদী বলে আক্রমণ করেছেন তার সাবেক বান্ধবী জ্যাসমাইন লিন্নার্ড।

এখানেই থেমে থাকেননি লিন্নার্ড, ধর্ষণের অভিযোগ তোলা মার্কিন মডেল ক্যাথেরিন মায়োর্গাকে সাহায্য করার কথাও জানিয়েছেন ইংলিশ মডেল। সেইসঙ্গে রোনালদোর ‘আসল চেহারা’ খোলাসা করা হুমকি দিয়েছেন তিনি।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে থাকার সময় শুরু। এরপর রিয়ালে যোগ দেয়ার পরও লিন্নার্ডের সঙ্গে ডেট করেছেন রোনালদো। লিন্নার্ডের দাবি, গত ১৮ মাসেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন জুভেন্টাস তারকা।

Advertisement

টুইটারে লিন্নার্ড বলেছেন, ‘সে (রোনালদো) আসলে কেমন সেটা সম্পর্কে কারোই কোনো ধারণা নেই। মানুষ যদি তার আসল চেহারার অর্ধেকটাও জানে, তাহলে আতঙ্কিত হয়ে উঠবে।’

৩৩ বছরের লিন্নার্ড জানিয়েছেন, সাহায্য করার জন্য অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে মায়োর্গার আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, ‘আমি আর দিনের পর দিন পেছনে বসে তার (রোনালদোর) মিথ্যা বলা শুনব-দেখব না। আমি তাকে (মায়োর্গা) সাহায্যর জন্য সবকিছু করতে যাচ্ছি। আমার কাছে এমন তথ্য এবং রেকর্ডিং আছে যা ক্যাথরিনকে এবং তার দলকে সত্যিকারের প্রকৃতি দেখানোর জন্য অমূল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।’

টুইটার বার্তায় রোনালদোকে নিয়ন্ত্রণহীন এবং খামখেয়ালি বলেও উল্লেখ করেন ইংলিশ মডেল, ‘আমার কাছে শতশত ম্যাসেজ আছে, পুরো যৌন বশীকরণের বাতাসে ভরপুর। যা মায়োর্গার অভিযোগের আয়না হিসেবে কাজ করবে। সে আসলে পুরোপুরি মিথ্যাবাদী এবং মানসিক বিকারগ্রস্ত।’

‘আমরা কাছে প্রমাণ না থাকলে কেউই আমাকে বিশ্বাস করবে না। কিন্তু এজন্য কৃতজ্ঞ যে, আমি একটা স্মার্ট মেয়ে এবং আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। সুতরাং খেলা শেষ।’ টুইটের শেষাংশে লেখেন লিন্নার্ড।

মার্কিন মডেল মায়োর্গার দাবি, ২০০৯ সালে লাস ভেগাসের একটি অ্যাপার্টমেন্টে তাকে নিয়ে যান রোনালদো। তিনি যখন পোশাক বদলাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ পিছন থেকে তাকে জাপটে ধরেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রোনালদো। তবে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মায়োর্গা, যে মামলার তদন্ত করছে মার্কিন পুলিশ।