চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সাউথ কোরিয়ায় শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা চায় বাংলাদেশ

পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা দেয়ার জন্য সাউথ কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত সাউথ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছেন: বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে, এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চায় সাউথ কোরিয়া।

বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সাউথ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাংকিউন এর সঙ্গে মতবিনিময় করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এসময় তিনি বলেন: সাউথ কোরিয়া বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। সাউথ কোরিয়ার অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কাজ করছে। রয়েছে অনেক বিনিয়োগও। দেশটির অনেক পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে বাংলাদেশে।

সাউথ কোরিয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমেরও অংশীদার এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন: তৈরি পোশাক, ইলেক্ট্রনিক পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি নির্মাণ কাজেও সাউথ কোরিয়া বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিজ্ঞাপন

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন: উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে। উভয়দেশ উদ্যোগ নিলে এ সুযোগকে কাজে লাগানো সম্ভব। সাউথ কোরিয়া উন্নয়নশীল দেশগুলোকে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা দিচ্ছে। বাংলাদেশও উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হতে যাচ্ছে। সাউথ কোরিয়া বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করলে রপ্তানি বাড়বে এবং উভয় দেশের বাণিজ্য ব্যবধান কমবে।

সাউথ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন: বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র এবং ব্যবসায়ীক বড় অংশীদার। বাংলাদেশে সাউথ কোরিয়ার অনেক ব্যবসা ও বিনিয়োগ রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও অবদান রাখছি আমরা। বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে, এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চায় সাউথ কোরিয়া। এছাড়া সাউথ কোরিয়া চট্টগ্রামে কেইপিজেড বাস্তবায়ন করছে, এখানে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে।

বাংলাদেশের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন: পরিস্থিতি মোবেলায় সাউথ কোরিয়া বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

গত ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশ সাউথ কোরিয়ায় ৩৭০ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে আমদানি করেছে ১৩১৫ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) হাফিজুর রহমান এবং ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন