চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সর্বক্ষেত্রে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ সামনের দিনগুলোতে অনেক বাড়তে পারে শঙ্কায় ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে সরকার ঘোষণা করেছিল ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী সকল শিক্ষার্থীকে অন্তত এক ডোজ ভ্যাকসিন দেবার। ভাকসিনের এক ডোজ দেয়া না থাকলে শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে যেতে পারবে না বলেও জানানো হয়। সঙ্গে বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠকক্ষে বসা ও মাস্ক পরার সেই পুরাতন নিয়ম বহাল।

প্রাথমিকভাবে দেশে ঢাকার ১২টি কেন্দ্রে এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে জানুয়ারিতে সেটি দেশজুড়ে আরও সম্প্রসারণ করা হয়। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এক ডোজ নেবার ওই সময়সীমা আরও কয়েক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে বাস্তবতা বিবেচনায়। এছাড়া আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে কিছু বিধিনিষেধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বিষয়গুলো খুবই ইতিবাচক।

বিজ্ঞাপন

এদিকে করোনা আবার তার পুরাতন রূপ দেখাতে শুরু করেছে। ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি একদিনে করোনা আক্রান্তের হার আবারও ২ হাজার ছাড়িয়েছে। শীতকালে এমনিতেই নানা সিজনাল অসুখ-বিসুখ লেগে থাকে, তার উপরে কয়েকবছর ধরে চলা করোনার নতুন নতুন ধরন তাদের তাণ্ডব চালাচ্ছে সারাবিশ্বের মতো আমাদের দেশেও।

করোনার এই সময়ে আমাদের চারপাশে জনজীবন পুরো স্বাভাবিক। সেইসঙ্গে নেতিবাচক বাস্তবতা হচ্ছে, মাস্ক পরাসহ নানা স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা বেশ কমেছে। করোনার হার হঠাৎ বাড়ার অন্যতম বড় কারণ এটি । বহুদিন বন্ধ থাকার পরে খুলে যাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ হতে পারে বলে শঙ্কা থাকলেও তা এখনই বন্ধ হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে। সেইসঙ্গে লকডাউনের মতো কঠোর পদক্ষেপেরও শঙ্কা কম।

সবাইকে ভ্যাকসিন কর্মসূচির মধ্যে আনতে সরকার খুবই তৎপর। জনগণের মধ্যেও ভ্যাকসিন অনীহা অনেকটাই কেটেছে, শুরু হয়েছে বুস্টার ডোজের কর্মসূচিও। তবে সব কথার শেষ কথা হচ্ছে, কঠোরভাবে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধিসহ ঘোষিত নানা নির্দেশনা। হোক তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা জনজীবনের সর্বক্ষেত্রে। তাহলেই করোনাভাইরাসের সঙ্গে জীবনকে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে দেশ ও জাতি।

বিজ্ঞাপন