চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সবুজ দ্বীপের মত মাঝখানে সুফিয়া কামাল

১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্ম নারী জাগরণের অগ্রদূত কবি সুফিয়া কামালের। আজ মঙ্গলবার প্রগতিশীল সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্নদ্রষ্টা কবির ১০৮তম জন্মদিন। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।

কবি সুফিয়া কামালের জন্মদিন উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজ্ঞাপন

সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘ কর্মজীবনে সুফিয়া কামাল মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন, নারীমুক্তির আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় সাহসী ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৫৬ সালে ‘কচি-কাঁচার মেলা’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬১ সালে ‘ছায়ানট’-এর সভাপতি, ১৯৬৯ সালে গণআন্দোলনের সময় মহিলা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি, ১৯৭০ সালে মহিলা পরিষদ গঠন এবং এই সময়ে অসহযোগ আন্দোলনে নারী সমাজের নেতৃত্ব দেন। সুফিয়া কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন

১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর এই মহিয়সী নারী কবি সুফিয়া কামাল মৃত্যুবরণ করেন।

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

বেগম সুফিয়া কামালের ১০৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে বলেন,  প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে কবি সুফিয়া কামালের ছিল দৃপ্ত পদচারণা। তার সৃজনশীলতা অবিস্মরণীয়। এবং শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত করে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ কবির জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষে আগামী ২৭ জুন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

‘কবি সুফিয়া কামাল স্মারক বক্তৃতা’ রাখবেন লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ। নারী নির্যাতনবিরোধী কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখায় তিনজনকে চলতি বছরের ‘কবি সুফিয়া কামাল সম্মাননা’ দেয়া হবে। ঢাকার সেগুনবাগিচায় কবি সুফিয়া কামাল ভবনে এ আয়োজন হয়েছে।