চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সন্ত্রাসী কাজে অর্থের যোগানে কঠোর অবস্থানে সরকার: অর্থমন্ত্রী

অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসী কাজে অর্থের যোগান দুটোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আমদানি-রপ্তানির আড়ালে এবং রাজস্ব ফাঁকি এ দুভাবে অর্থ পাচার হয়ে থাকে। পণ্যের মূল্য বেশি বা কম দেখানো বন্ধে বিশেষ তদারকি সংস্থা এবং বিদেশী বিনিয়োগে দেশীয় অংশীদার রাখার বিধান করার কথাও জানান তিনি।

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের অভিযোগ বেশ পুরোনো। মালয়েশিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, হালে মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে দুবাইয়ে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ বাসস্থান এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করছেন-দেশি ও বিদেশী গণমাধ্যমের খবর। জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউএনডিপিও বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন বের করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি জিএফআই নামে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি সংস্থা এ বিষয়ে বিস্তর তথ্য-উপাত্ত দিয়ে যাচ্ছে। অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসী ও জঙ্গি অর্থায়ন ঠেকাতে আইনও করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু অগ্রগতি কতোটা?

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সন্দেহজনক লেন-দেন নিয়ে বিস্তারিত কাজ করতে সরকারের নানা সংস্থার পাশাপাশি ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে কাজ করছে ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউ।

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন বন্ধে জাতীয় কমিটি আগের চেয়ে ঘন ঘন বৈঠক করবে, সব বিষয়ে সমন্বয় করার জন্য।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:

Bellow Post-Green View