চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সন্তানদের চকোলেট-চিপস খেতে দেখে হতাশ রোনালদো

৩৫ বছর বয়সেও ঈর্ষণীয় ফিটনেস ধরে রেখেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ সুপারস্টার বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের একজন। পরিমিত খাদ্য গ্রহণ আর কঠোর শৃঙ্খলাপরায়ণ জীবন তার পারফরম্যান্সের ‘গোপন’ রহস্য। ফুটবলের বাইরে তিনি একজন স্নেহপরায়ন পিতা, যিনি চান সন্তানরাও হবে সেরাদের সেরা।

ফিটনেস ধরে রাখতে নিজেকে কঠিন নিয়মের বেড়াজালে আটকেছেন রোনালদো। মদ তো দূরের কথা, কোমল পানীয়ও ছুঁয়ে দেখেন না তিনি। আইসক্রীম-চকোলেট, মিষ্টি জাতীয় খাবার থেকে থাকেন একশো হাত দূরে। এমন বাবার সন্তান হয়ে ছেলে-মেয়েরা যখন চকোলেট-চিপসে ডুবে থাকে, বেশ হতাশ হন বলে জানিয়েছেন সিআর সেভেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

গত রোববার দুবাইয়ে হোটেল আরমানিতে গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডের শতাব্দীর সেরা ফুটবলার হয়েছেন রোনালদো। সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ ও বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুনিয়র। অনুষ্ঠান শেষে ১০ বছর বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বেশ হতাশই শোনায় জুভেন্টাস তারকার কণ্ঠ।

বাবার পথ ধরে ছেলেও খেলছে ফুটবল, জুভেন্টাসের অনূর্ধব-১০ দলে। একজন ভালো ফুটবলার হতে ছেলেকে বেশ কঠিন একটা পথ পাড়ি দিতে হবে বলে মনে করেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী মহাতারকা, ‘আমরা অপেক্ষা করে আছি, দেখা যাক আমার ছেলে বড় খেলোয়াড় হতে পারে কিনা।’

বিজ্ঞাপন

‘সে প্রচুর চিপস আর কোমল পানীয় খায়, সে জানে আমি এসব পছন্দ করি না। তবে এসব মেনে নিয়েছি। কারণ একজন দশ বছরের বাচ্চার কাছে এটা স্বাভাবিক একটা বিষয়। তার প্রচুর সম্ভাবনা আছে, গতিও বেশ ভালো। এটাই বলে দেয় যে তাকে কঠোর পরিশ্রম আর ভীষণ মনোযোগ ধরে রাখতে হবে।’

‘তাকে বাড়তি কোনো চাপ দেই না, যদি কেউ বলে যে আমি তাকে ফুটবলে সাফল্যমণ্ডিত দেখতে চাই কিনা, আমার উত্তরটা হবে, হ্যাঁ। সে ডাক্তার-ফুটবলার যেটাই হোক না কেনো, চাইবো সেরাটাই যেন সে হয়।’

শুধু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুনিয়রই নয়, বাড়িতে পর্তুগীজ ফরোয়ার্ডের বাকি তিন সন্তানও চকোলেটে আসক্ত বলে জানিয়েছেন, ‘আমার ছোট বাচ্চারা যখন চকোলেট খায়, তখন আমার দিকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখে, তারা জানে আমি এসব পছন্দ করি না।’

কিছুদিন আগে জর্জিনা রদ্রিগেজের শেয়ার করা ভিডিওতেও দেখা গেছে এমন দৃশ্য। তিন বছর বয়সী কন্যা আলানা মার্টিনেজ বাবাকে চকোলেট খেতে বলায়- ‘না, না চকলেট না। চকলেট খেলে বাবা মোটা হয়ে যাবে।’ বলে চিৎকার করতে দেখা গেছে রোনালদোকে।