চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘সঠিক লড়াইয়ে’ স্যামির পাশে গেইল

জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু ঘিরে ক্ষোভের আগুণ ছড়িয়ে পড়েছে ক্রিকেটেও। আগুনটা ধরিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলার সময় সতীর্থদের থেকে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হতেন, স্যামির এমন মন্তব্যের পর চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। সেই লড়াইয়ে সাবেক অধিনায়কের পাশে দাঁড়িয়েছেন ক্রিস গেইল।

২০১৪ সালে হায়দরাবাদের হয়ে খেলার সময় সতীর্থরা তাকে ‘কালু’ নামে সম্বোধন করতেন, এমন অভিযোগ করে সাবেক সতীর্থদের প্রতি বর্ণবাদী আচরণের তীর ছুঁড়েছেন স্যামি। আইসিসি ও ক্রিকেট বোর্ডগুলোকে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উইন্ডিজকে দুটি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক।

বিজ্ঞাপন

টুইটারে স্যামিকে তার উদ্যোগের প্রশংসা করে গেইল লিখেছেন, ‘সঠিক কারণে লড়াই করতে কখনোই দেরি করবে না, কিংবা এতবছর ধরে যা দেখে এসেছো। আমি আগেই বলেছি খেলাতে এটা হচ্ছেই।’

বিজ্ঞাপন

স্যামির আগে ক্রিকেটে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে ঝড়ে কিন্তু টোকা দিয়েছেন গেইলই। শুধু ফুটবলেই নয়, ক্রিকেটেও বর্ণবৈষম্য আছে বলে বোমা ফাটিয়েছেন। পুলিশের অমানবিকতায় আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে গড়ে ওঠা আন্দোলনের প্রতি ইনস্টাগ্রামে সমর্থন জানিয়ে তিনি লিখেছেন অনেক কথাই।

‘অন্যদের জীবনের মতো কালো মানুষদের জীবনও গুরুত্বপূর্ণ। কালো মানুষদের জীবনও মূল্যবান। বর্ণবাদীরা ভাগো। কালো মানুষদের বোকা ভাবা বন্ধ করো। এমনকি অনেক কৃষ্ণাঙ্গ মানুষই নিজের জাতিদের ক্ষতি করছে। আমি বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়াই আর আমাকে অনেক বৈষম্যমূলক কথা শুনতে হয়। কারণ আমি কালো। বিশ্বাস করুন, এমনটাই হচ্ছে।’

‘কেবল ফুটবলেই নয়, ক্রিকেটেও বর্ণবৈষম্য আছে। এমনকি কৃষ্ণাঙ্গ এক দলে থেকেও খারাপ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে। আমি কালো এবং শক্তিশালী। কালো এবং গর্বিত।’ গেইল প্রতিবাদ জানিয়েছেন এভাবে।

গত ২৫মে আমেরিকার মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে জর্জ ফ্লয়েডকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হাঁটু দিয়ে মাটিয়ে ঠেসে ধরেন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার ডেরেক চাওভিন। প্রায় দশমিনিট ধরে ফ্লয়েডের ঘাড় মাটিতে চেপে রাখেন তিনি। একপর্যায়ে ফ্লয়েড শ্বাস নিতে না পারার কথা জানালেও পাত্তা দেননি। ওই অবস্থাতেই মারা যান ফ্লয়েড। পরে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে আমেরিকা।