চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সঞ্চয় ও নিলাম থেকে ১০৩ কোটি রুপি অনুদান দিয়েছেন মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী কল্যাণ তহবিল(পিএম কেয়ারস ফান্ড) তৈরির সময়ে নিজের পকেট থেকে আড়াই লাখ রুপি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সঞ্চয় ও নিলাম থেকে এ পর্যন্ত তার মোট নিজস্ব অনুদানের পরিমাণ ১০৩ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে।

এমনটাই জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সহায়তার অংশ হিসেবে গঠিত জরুরি অবস্থার ত্রাণ তহবিলটি করোনাভাইরাস মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইতে কাজ করছিলো। নরেন্দ্র মোদির জনস্বার্থে অবদান রাখার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। গঙ্গা পরিষ্কার থেকে শুরু করে সুবিধাবঞ্চিতদের কল্যাণ কার্যক্রম এবং বাল্যশিক্ষা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

২০১৯ সালে ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে কুম্ভমেলার জন্য ২১ লাখ রুপি অনুদান দেন তিনি। একই সঙ্গে সাউথ কোরিয়ার সিওল শান্তি পুরস্কার থেকে পাওয়া ১.৩ কোটি রুপি তিনি দান করেন গঙ্গা পরিস্কার প্রকল্পে।

২০১৫ সাল পর্যন্ত গুজরাটের সুরতে তার পাওয়া উপহারগুলির নিলাম থেকে পাওয়া ৮ কোটি ৩৫ লাখ রুপিও গঙ্গা পরিস্কার প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ২০১৪ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীপদ থেকে অব্যাহতির সময় মোদি সরকারি কর্মীদের মেয়েদের শিক্ষার জন্য ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে ২১ লাখ রুপি অনুদান দিয়েছিলেন।

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়ে পাওয়া সমস্ত উপহার নিলাম করে ৮৯ কোটি ৯৬ লাখ রুপি উঠে আসে। সেই রুপি প্রধানমন্ত্রী অনুদান হিসেবে দেন কন্যা কল্যাণী তহবিলে।

তবে কংগ্রেস ও অন্যান্য দলগুলো পিএম কেয়ারস ফান্ড এবং এই জাতীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল (পিএমএনআরএফ) এর দিকে ইঙ্গিত করে এগুলোর আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করেছে এবং এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

তবে কেন্দ্র পিএম কেয়ারস তহবিলের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছে যে, এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী তহবিল এবং বাজেটের বরাদ্দ অন্যান্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া তহবিলেও অংশ নিচ্ছে।

জানা যায়, মোদির মোট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৪৯ লাখ রুপির সমমূল্য। এর মধ্যে রয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ রুপি ফিক্সড ডিপোজিট (FD)। আর গান্ধীনগরে তার বাড়িটির মূল্য ১ কোটি ১০ লাখ রুপি।