চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সঞ্চয়পত্র ও কুপনের অর্থ পরিশোধের নির্দেশ

মেয়াদ পূর্তি সাপেক্ষে জাতীয় সঞ্চয় পত্রের এবং কুপনের অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রম ও ক্লিয়ারিং হাউস খোলা থাকলেও করোনা সঙ্কটের এই সময়ে সঞ্চয়পত্রের টাকা লেনদেনের বিষয়ে এতদিন নির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা ছিল না। ফলে গত দুই সপ্তাহ ধরে সঞ্চয়পত্রের টাকা তুলতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেক গ্রাহক।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংক আজ এই বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বলেছে, এখন থেকে মেয়াদ পূর্তি সাপেক্ষে জাতীয় সঞ্চয় সার্টিফিকেট এবং কুপনের অর্থ পরিশোধের নির্দেশনা দেয়া হলো।

সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন ব্যাংকিং লেনদেন কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিভিন্ন জাতীয় সঞ্চয় সার্টিফিকেটের মেয়াদ পূর্তিতে নগদায়ন এবং কুপনের অর্থ পরিশোধও অন্তর্ভুক্ত হবে। এ বিষয়ে গ্রাহক সেবা প্রদান নিশ্চিত করার জন্য আপনাদের নির্দেশ দেয়া হলো।

বিজ্ঞাপন

সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের অনেকে সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করে বলেছেন, সঞ্চয়পত্রের টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের যে শাখার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে ওই শাখায় বর্তমানে কোনো কাজ হচ্ছে না, এই বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। সঞ্চয়পত্রের সাথে সম্পৃক্ত সব শাখা খোলা রয়েছে, কাজও চলছে। সঞ্চয়পত্রের টাকা পাচ্ছে না গ্রাহকদের এমন কোনো অভিযোগ আদৌ বাংলাদেশ ব্যাংকে আসেনি।

‘মূলত সঞ্চয়পত্রের মূল বিষয়গুলো সঞ্চয় অধিদপ্তরের হাতে। তারা সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা রাখলে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করতে পারে। কিন্তু খোলা না রাখলে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করবে কিভাবে? কারণ এর চাবিকাঠি তো সঞ্চয় অধিদপ্তরের হাতে।’

সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা সব কিছুই অনলাইনে দিয়ে দিচ্ছি। এখন জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর টাকা দেয়ার বিষয়টি চালু করলেই গ্রাহকের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান ছুটি আরও তিন দিন বাড়ানো হয়েছে। ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

এসময় তফসিলি ব্যাংকগুলোর সীমিত আকারে ব্যাংকের লেনদেন চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নগদ লেনদেন করতে পারবেন গ্রাহক। কিন্তু ব্যাংকের অন্যান্য কার্য সম্পাদনের জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।