চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সংক্রমণ কমাতে হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ১৭১তম দিনে মৃত্যুর সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৩,১৬৯ জন পুরুষ ও নারী ৮৫৯ জন। শনাক্ত ও মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকায় সংক্রমণ কমাতে হলে বাসায় চিকিৎসা নিরুৎসাহী করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন করে ৩ হাজার ৮৮১ জন এবং এখন পর্যন্ত এক লাখ ৮৬ হাজার ৭৫৬ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬২ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৭৮৮টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৪ হাজার ১৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৪ লাখ ৭০ হাজার ১৯১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নতুন করে মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ষাটোর্ধ্ব ২৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে ২৫, চট্টগ্রামে ৯, রাজশাহীতে ২, খুলনায় ৪, বরিশালে ২, রংপুরে ১ এবং ময়মনসিংহে ২ জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ৪৪ এবং বাড়িতে একজন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের প্রাক্তন পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, রাজধানী ঢাকায় লোক বেশি, দেশের কেন্দ্র বিন্দু হওয়ায় বিভিন্ন জেলার লোকজনের এখানে বসবাস সুতরাং স্বাভাবিকভাবে এখানে সংক্রমণ বাড়বে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা কখনোই দেখা যায় নি।

ঢাকায় সংক্রমণ কমাতে হলে করণীয় কী? জানতে চাইলে এই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ব্যাপক নমুনা পরীক্ষা, কনট্যাক্ট ট্রেসিংসহ আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন করাতে হবে। এছাড়া প্রথমত বাসায় রেখে চিকিৎসা ব্যবস্থা নিরুৎসাহী করাতে হবে। হাসপাতালে এসে যেন জনসাধারণ চিকিৎসা করাতে পারে সে ব্যবসা করতে হবে এবং এ বিষয়ে হাসপাতালগুলোকে উদ্বুদ্ধ করাতে হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, নতুন করে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৮০৬ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ২০ হাজার ৩৭৫ জন। আইসোলেশন থেকে নতুন করে ৭১৮ জন এবং এখন পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৬৫৮ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ৬৮ হাজার ৩৩ জনকে। প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে নতুন করে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ হাজার ২৪২ জনকে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২০৮ জন এবং এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৩২ হাজার ৪০২ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৪ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৩ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫২ হাজার ৭৬১ জন।