চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ষড়যন্ত্রকারী’দের মুখোশ খুলে দেবেন গুলবাদিন

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের আগে হুট করেই পেয়েছিলেন আফগানিস্তানের নেতৃত্বভার। আসরে ভরাডুবির পর মোহ ভাঙতে সময় লাগেনি দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের। দ্রুতই ওয়ানডের অধিনায়কত্ব হারান গুলবাদিন নাঈব। এতদিন চুপ থাকলেও বিশ্বকাপের ছয় মাস পর সেসময়ের পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলার হুমকি দিয়েছেন তিনি। সবকিছুর পেছনে দলের ষড়যন্ত্রকারী ও মাফিয়াদের দোষ দেখতে পাচ্ছেন গুলবাদিন।

গত কয়েক মাস ধরেই আফগানিস্তানের অধিনায়কত্ব নিয়ে ‘মিউজিক্যাল চেয়ার’ খেলা চলছে। বিশ্বকাপের দুই মাস আগে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয় আসগর আফগানকে। তখন তিন ফরম্যাটে নেতৃত্বের ভার দেয়া হয় তিনজনকে। টেস্টে রহমত শাহ, ওয়ানডেতে গুলবাদিন নাইব ও টি-টুয়েন্টির অধিনায়ক করা হয় রশিদ খানকে।

বিশ্বকাপের পর তিন ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব পান রশিদ খান। তার কপালেও সুখ সয়নি! মাত্র চারমাস পর এ লেগস্পিনারকে সরিয়ে আবারও নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে আসগরকে।

গুলবাদিন নেতৃত্বে আসার পর থেকেই একটা চাপা ক্ষোভ কাজ করছিল দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের মাঝে। বোদ্ধাদের ধারণা তাতেই বিশ্বকাপে বাজে হাল আফগানদের। নিজে তখন পর্যন্ত কিছু না বললেও অবশেষে বোমা ফাটাতে চলেছেন গুলবাদিন। ক্ষোভ উগরে দিতে টুইটারকে বেছে নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

‘জানি অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করবেন যে কেনো এতদিন এই মাফিয়াদের বিষয়ে মুখ খুলিনি। আমাকে একপাশে সরিয়ে কর্তৃপক্ষ আর অংশীদাররা কথা দিয়েছিলেন যে, তারা দ্রুতই সমস্যার সমাধান করবেন।’

‘কর্তৃপক্ষ এতদিনে এই সমস্যার সমাধান করেছে? সবার আগ্রহের কথা ভেবেই বলছি, যদি কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা না নেন, তাহলে একে একে সরকারী কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বোর্ড সদস্য, খেলোয়াড়, সাবেক বোর্ড সদস্য, সকলের নাম ফাঁস করে দেব। জানতে হলে সঙ্গেই থাকুন।’

আরেক টুইটে গুলবাদিন লিখেছেন, ‘সরকারের উচ্চপদস্থ কিছু কর্মকর্তার একটা চক্র আছে যারা ক্রিকেট ও বোর্ড কর্মকর্তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে আছে। কেউ কেউ আবার স্থূলভাবে প্রচার করেছে যে, তারা নাকি আমার নেতৃত্বের কারণে বিশ্বকাপে ভালোভাবে পারফর্ম করতে পারেনি!’

শেয়ার করুন: