চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পিলখানায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণ

পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ১২ বছর আজ বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষে বনানীর সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যায় নিহত সেনা কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ।

বিজ্ঞাপন

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বনানীর সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শাহাদৎ বরণকারীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শধদ্ধা নিবেদন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল এম আবু আশরাফ, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ শহীদ সেনাসদস্যদের সম্মানে স্যালুট প্রদান করেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এছাড়াও এদিন সকল সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকল স্তরের সেনাসদস্যগণের উপস্থিতিতে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত-এর আয়োজন করা হয়।

শ্রদ্ধা জানান নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনেরা। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।

২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি সকালে তৎকালীন বিডিআরের দরবার হল থেকে বিদ্রোহের সূচনা হয়। নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে পরদিন ঘটে এর অবসান। ওই ঘটনায় নিহত হন ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মামলা এখন আইনি লড়াইয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।