চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শেষ বলে মোস্তাফিজকে যে পরামর্শ দেন মিরাজ

৬ বলে দরকার ছিল ৯ রান, হাতে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম ৫ বলে দিলেন মাত্র ২। তাতে শেষ বলে রংপুর রাইডার্সের দরকার পড়ল ৭ রান। স্ট্রাইকে রাইলি রুশো থাকায় রাজশাহী কিংসের জয় লিখে ফেলার উপায় ছিল না। ছক্কা হয়ে গেলেই ম্যাচ টাই, আরও একটি সুপার ওভার! লো-স্কোরিং ম্যাচেও শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের শেষটায় চলেছে এমনি জল্পনা। কাটার মাস্টার অবশ্য ১ রানের বেশি দেননি ফাইনাল ডেলিভারিতে।

বলটি ডেলিভারির আগে মেহেদী হাসান মিরাজ দলের তিন সতীর্থের সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসে ছোট্ট একটা সভা করে ফেলেন। বোলার মোস্তাফিজ ছাড়াও সেখানে ছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ ও সৌম্য সরকার। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ৫ রানে জিতে কিংস অধিনায়ক মিরাজ জানালেন কী আলাপ-আলোচনা চলছিল তাদের মধ্যে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

‘মোস্তাফিজকে আমি একটা কথাই বলার চেষ্টা করেছি, আমার কথা, সৌম্য সরকার ভাইয়ের কথা কিংবা হাফিজ ভাইয়ের কথাও শোনার দরকার নেই! ও যদি নিজের পরিকল্পনায় ভালো বোলিং করে তবে ভালো করে। তিনজনের কথা যখন মাথায় নেবে নিজেরটা করতে পারবে না। বলেছি তুই ফিল্ড সেটআপ করে তোর মতো বোলিং কর। সৌম্য ভাইও একই কথা বলেছে। কিন্তু হাফিজ ভাই বিভিন্নরকম কথা বলছিল। আমি আর সৌম্য বলছিলাম না, তুই তোর মতো কর। ও নিজের মতো বোলিং করলে ফিজ ভালো করে। আমরা ওকে ওর মতো বোলিং করতে সহায়তা করেছি। এ কারণে ম্যাচটা জিততে পেরেছি। জানি মোস্তাফিজ কী ধরনের বোলার আর কী ধরনের মানুষ।’

শেষ ওভারে ৬টি ডেলিভারিই ছিল কাটার। প্রথম বলে রুশো ডিপ পয়েন্ট খেলে সিঙ্গেল নিয়ে প্রান্ত বদলাতেই বদলে যায় ম্যাচের ভাগ্য। ফিজের পরে তিন ডেলিভারি ব্যাটেই ছোঁয়াতে পারেননি ফরহাদ রেজা। ওভারে পঞ্চম বলটাও ডট হতে পারত। তবে উইকেটরক্ষকের হাতে বল গেলে এক রানের জন্য প্রান্ত বদলে ফেলেন দুই ব্যাটসম্যান।

শেষ বলে ব্যাটে সংযোগ ঘটিয়েও ১ রানের বেশি নিতে পারেননি রুশো। ২২ গজে মোস্তাফিজ বল হাতে কিং হয়ে ওঠায় প্রোটিয়া ওপেনারের ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংসটি দেখেনি আলোর মুখ।