চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী না হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হত না: শাহরিয়ার কবির

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেছেন, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী না হলে বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে এটা কল্পনাও করা যেতো না।

শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার ওপর আপনারা আস্থা রাখুন। তিনি ক্ষমতায় থাকলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসম্পূর্ণ কাজগুলো আমরা আদায় করতে পারবো।’

‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অভিযাত্রা’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

বিজ্ঞাপন

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য ৪৭ বছরের মধ্যে বেশিরভাগ সময়ই স্বাধীনতা বিরোধীরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষমতায় থেকেছে। তারা ক্ষমতা থাকাকালে প্রশাসন, রাজনীতিসহ সবকিছুতেই তথা কথিত মওদুদিকরণ, ওহাবী করণ, সালাফি করণ করেছে। তার থেকে বের হতে গেলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। এটা দীর্ঘকালের লড়াই। তবে ৭২ সালের সংবিধানে ফিরে না গেলে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারবো না। সেখানে পৌঁছানোই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।

ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমরা প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে বলেছি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতা হতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। সেই সহিংসতা কেবল হিন্দুদের ওপর নয়, আমাদের ওপরও হতে পারে। একটি পক্ষ দেশে ভয়াবহ সন্ত্রাসের পরিকল্পনা নিয়েছে। যদি তারা নির্বাচনে পরাজিত হয় তাহলে তারা দেশে গৃহযুদ্ধ বাধাবে। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সবাইকে এক জায়গায় দাঁড়াতে হবে।’

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা মকবুল-ই-এলাহি, কমিটির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার নাদিয়া চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, জেলা জাসদের সভাপতি এডভোকেট আখতার হোসেন সাইদ, জেলা ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি এডভোকেট কাজী মাসুদ আহমেদ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাজিদুল ইসলাম,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী।

সভায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের প্রতিনিধি, উদীচী, খেলাঘর আসর, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদসহ প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন