চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শীতের দুপুরে রোমাঞ্চকর বোলিং উত্তাপ

২৮৬ রানে অলআউট পাকিস্তান

চট্টগ্রাম থেকে: সকালের সেশনে পাকিস্তানের চার উইকেট তুলে লড়াইয়ে ফেরা। দুপুরে রোমাঞ্চকর সাফল্যের আরও একটি সেশন। তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেনের বোলিং ঝলকে সফরকারীরা গুটিয়ে গেছে তিনশর আগেই। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ পেয়েছে ৪৪ রানের লিড। তাইজুলের শিকার সাত উইকেট। ইবাদতের দুটি, একটি উইকেট নিয়েছেন মেহেদী মিরাজ।

চট্টগ্রাম টেস্টের ম্যাচের দ্বিতীয় দিন হতাশায় কাটে বাংলাদেশের। কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৪৫ রান তুলে বাংলাদেশের ৩৩০’কে সামান্য পুঁজিই মনে করাচ্ছিলেন আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিক।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম সেশনে চার ও দ্বিতীয় সেশনে ছয় উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে ২৮৬ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। সফরকারী দলের ওপেনার আবিদ খেলেন ১৩৩ রানের ইনিংস। ২৮২ বলের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও দুটি ছয়ের মার। টেস্টে ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থ শতক।

বিজ্ঞাপন

তৃতীয় দিনের দুটি সেশনে সফরকারীরা ১৪১ রানে হারিয়েছে দশ উইকেট। তাইজুল ৪৪.৪ ওভার বোলিং করে ১১৬ রানে নেন সাতটি উইকেট। পাকিস্তানের ইনিংস দীর্ঘ হয়েছে ১১৫. ৪ ওভার। ৬ বল কম ব্যাটিং করে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে তোলে ৩৩০ রান।

চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনের সকালে শফিক (৫২) এলবিডব্লিউ হন তাইজুলের বলে। এদিন কোনো রান যোগ করতে পারেননি অভিষিক্ত ব্যাটার। তাইজুলের পরের বলে একইভাবে আউট হন আজহার আলি। টাইগার বাঁহাতি স্পিনার জাগান হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা।

পরে মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিংয়ে এসেই পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজমকে (১০) বোল্ড করেন। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে তৃতীয় সাফল্যের দেখা পান তাইজুল। লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ফাওয়াদ আলমকে (৮)।

দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে বাংলাদেশের বোলিং কিছুটা নির্বিষ ছিল। ইবাদতের বোলিং দেখায় আশার আলো। তাইজুল এসেও দেখান ধারাবাহিকতা। তাতে অল্পতেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

বিজ্ঞাপন