চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য বিষয়ে ইংল্যান্ডে আইনী চ্যালেঞ্জের মুখে টিকটক

জনপ্রিয় চাইনীজ ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বহু দেশে এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। ইংল্যান্ডেও একই দাবি ও অভিযোগ নিয়ে আইনী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে টিকটক।

টিকটকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি শিশু-কিশোরদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ ও তার ব্যবহার করছে। যুক্তরাজ্যে এবং ইউরোপের লাখ লাখ শিশুদের পক্ষে এই অভিযোগে আইনী চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের শিশু বিষয়ক কমিশনার অ্যানি লংফিল্ড।

বিজ্ঞাপন

তার দাবি, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের তথ্য সংরক্ষণ আইন লংঘন করেছে টিকটক।

বিবিসি জানায়, এর আগে বারো বছরের এক কিশোরী বেআইনিভাবে শিশুদের তথ্য প্রকাশের অভিযোগে মামলা দায়ের করে টিকটকের বিরুদ্ধে। আর সেই মামলায় পুরোপুরি সমর্থন জানান ইংল্যান্ডের অ্যানি লংফিল্ড।

ওই আইনজীবী বলেন, যদি তিনি এই চ্যালেঞ্জে সফল হন তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক শিশুকে কয়েক হাজার পাউন্ড করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে টিকটকের।

অ্যানি লংফিল্ড আরও বলেন, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় ও গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য টিকটক শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, ফোন নাম্বার, বায়োমেট্রিক তথ্য সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ব্যবহার করে থাকে।

এই মামলার মাধ্যমে ইংল্যান্ডে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকটক ব্যবহারের বিষয়টি আরও সুরক্ষিত হবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

তবে এই মামলা ও আইনী চ্যালেঞ্জকে অযৌক্তিক দাবি করে তা মোকাবিলা করবে বলে জানায় টিকটক।

প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, ১৩ বছরের কম বয়সী কাউকে অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেওয়া হয় না টিকটকে। এই নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলে তারা।

এর আগে বেআইনিভাবে শিশুদের তথ্য প্রকাশের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন ২০১৯ সালে ৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলো টিকটক।

বিজ্ঞাপন