চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শিরোপা জিততে বাংলাদেশের চাই ২১০

বৃষ্টির কারণে পরিধি ছোট হয়ে আসা ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশকে ২১০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথমে ব্যাট করে বৃষ্টির কারণে নতুন করে নির্ধারণ করা ২৪ ওভারে ১ উইকেটে ১৫২ রান করে ক্যারিবীয়রা। কিন্তু বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের লক্ষ্য গিয়ে দাঁড়ায় ২১০ রানে।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইনিংসের প্রথম বলেই দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মাশরাফী। প্রথম পাঁচ ওভারে ১৫ রানে প্রতিপক্ষে দুই ওপেনারকে বেধেও রাখেন মাশরাফী-সাইফউদ্দিন। কিন্তু, তারপরই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন শাই হোপ এবং সুনীল আমব্রিস। জন্মদিনের কেকের উপর ছুরি চালানোর মতো করে বাংলাদেশ বোলারদের বিরুদ্ধে ব্যাট চালান তারা।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচের ২০.১ ওভারের সময় শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। ডাবলিনের বৃষ্টি শুরুর আগে ১৩১ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন থাকেন ক্যারিবীয়দের ওপেনিং জুটি। শাই হোপ ৫৬ বলে ৬৮ আর সুনীল আমব্রিস ৬৫ বলে ৫৯ রানে তখন অপরাজিত।

বিজ্ঞাপন

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বৃষ্টি বিরতির পর প্রতি ইনিংস ২৪ ওভারে নেমে আসে। পুরো সিরিজের মতো এই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এগিয়ে রাখে ওপেনিং জুটি। ফাইনালে সবশেষ তিন ম্যাচ ছাড়িয়ে সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪৪ রানের জুটি গড়েন হোপ-আমব্রিস।

ইনিংসের ২২তম ওভারে এসে প্রথম সাফল্য পায় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হন সিরিজের সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যান হোপ। মিরাজকে লংঅনের উপর দিয়ে স্লগ খেলতে গিয়েছিলেন হোপ। টাইমিং না হওয়ায় মিডউইকেটে বল গেলে বাতাসে ভেসে ক্যাচ নেন মোসাদ্দেক। দুর্দান্ত এক ক্যাচেই ত্রিদেশীয় সিরিজের টপস্কোরারকে ফেরান তিনি। ৬৪ বলে ছয়টি চার ও তিন ছক্কায় ৭৪ রান করেন হোপ।

হোপের চেয়ে একুট ধীরগতির ছিলেন আমব্রিস। ৭৮ বলে সাত চারে ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তিন বলে তিন রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন আমব্রিসের সঙ্গী ড্যারেন ব্রাভো।

টাইগার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে মোস্তাফিজ ৫ ওভারে ৫০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য। বৃষ্টির আগে ২১তম ওভার চলার মধ্যেই ৬জন বোলারকে ব্যাবহার করেন মাশরাফী। কিন্তু কেউই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের জন্য বিপদ হয়ে দাঁড়াতে পারেননি।

Bellow Post-Green View