চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শিখা প্রজ্জ্বলিত করুক শত রোজিনা

ব্যক্তি রোজিনাকে আমি চিনি না। ব্যক্তি রোজিনার একটা ছবি দেখেছিলাম বেশ ক’বছর আগে অন্য এক সাংবাদিকের শিশু কন্যাকে কোলে নিয়ে। ছবিটি বারবার দেখি দুজনকেই বড় ভালো লাগে। এই ছবির কথাটা আজকের এই লেখায় আসবে স্বপ্নের ভাবি নাই। জানি যে তিনি একজন সাংবাদিক। কিন্তু তাঁর সাংবাদিকতা সম্পর্কে জানা ছিল না যে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে এমন অসহনীয় অবস্থায় পরেছেন।

প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনে হেনেস্তা হয়েছেন এমন অন্যায় জুলুম মেনে নেয়া যায় না। সাংবাদিকরা জোট বেঁধে শাহবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ আর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এমনটাই দরকার। আমি একজন সাধারণ মানুষ হয়েও তা সহ্য করতে পারছি না যেখানে। সাংবাদিকতা একটি মহত পেশা।আমি এই পেশাকে মনে প্রাণে পছন্দ করি ।একটি উন্নত রাষ্ট্রে সাংবাদিকতায় কখনও হামলা কিংবা আঘাত হানা যায় না। সেহেতু রোজিনা ইসলামের প্রতি এমন অন্যায় কিছুতেই মেনে নেয়া বা থেমে যাবার বিষয় এটি নয়। এখনই গণমাধ্যম সোচ্চার না হলে চলবে না। জানি ইতি মধ্যে অনেক প্রচার প্রচারণা চলছে । একজন নারী হয়ে আমিও হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারছি না।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে ১৭ মে সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। সেখানে তাঁকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছে। পরে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা দেখিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পরলে তাঁকে হাসপাতালের পরিবর্তে থানায় নেয়া হয়।

বিষয়টি মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি হস্তক্ষেপ করলে তা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার হবে। একটি দেশে সাংবাদিকদিকতা আর শিক্ষকতার যথাযোগ্য মূল্যায়ন না করলে সেই দেশ উন্নতির শিখরে পৌঁছবে না।বরং একেবারে তলিয়ে যাবে।আমরা সবাই জানি সাংবাদিক যেমন জাতির বিবেক তেমনি শিক্ষক জাতিকে গড়ে তোলার কারিগর।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)