চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শাহরুখ-সালমান-আমিরের ‘স্টারডম’ কি হারানোর পথে?

সালমান খান, আমির খান কিংবা শাহরুখ খানের শুটিং মানেই বিশাল আয়োজন। শুটিং সেটে তাদের নিয়োগকৃত অনেক স্টাফ সারাদিন নানা কাজ করেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে আরোপ করা হয়েছে নানা বিধি নিষেধ। একজনের তারকা তার সঙ্গে কতজনকে শুটিং সেটে রাখতে পারবেন, সেটাও নিয়মে বেঁধে দেয়া হয়েছে। তাই প্রশ্ন উঠেছে, এতে কি তাদের ‘স্টারডমে’ প্রভাব পড়বে?

ভারতে ধীরে ধীরে শুরু হয়েছে সিনেমা এবং নাটকের শুটিং। কিন্তু সেটে খুব অল্প মানুষ থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এক সেটে মোট ৫০-৫৫ জন থাকতে পারবেন। করোনাভাইরাসের কারণে শুটিং বন্ধের আগে বড়ো তারকারা একাই ৫০ জনের বেশি স্টাফ নিয়ে শুটিং করতে আসতেন।

বিজ্ঞাপন

প্রযোজকরা তারকাদের সঙ্গে একটি চুক্তি করবেন। সেখানে লেখা থাকবে, কোনো তারকা শুটিং সেটে তিন থেকে পাঁচ জনের বেশি মানুষকে নিয়ে আসতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে একজন তারকা তার মেকআপ আর্টিস্ট, হেয়ারড্রেসার এবং স্টাইলিস্টকে নিলে আর কাউকে শুটিং সেটে আনতে পারবেন না।

তারকাদের সঙ্গে শুটিং সেটে একজন ব্যক্তিগত সাহায্যকারী থাকেন। তিনি জুস আনা, চা-নাস্তা আনার মতো কাজগুলো করে থাকেন। এছাড়াও বিভিন্ন কাজের জন্য তিন থেকে চার জন সহকারি নিয়োগ দেয়া হয়। কেউ মাথায় ছাতা ধরে রাখেন, কেউ মেকআপ ও চুলের স্টাইলের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস এনে দেন।

উদাহরণ হিসেবে সালমানের কথাই ধরা যাক। সালমান খানের স্টাফ মেম্বারদের মধ্যে থাকেন মেকআপ আর্টিস্ট, হেয়ার স্টাইলিস্ট, স্পট বয়, ড্রাইভার, ম্যানেজার, পিআর এজেন্ট। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন থাকেন বাড়তি কাজের জন্য।

তারকারা এখন তাদের ইচ্ছামতো শুটিং এর তারিখও পেছাতে পারবেন না। প্রযোজকদের সঙ্গে এই বিষয়েও তাদের আগেই চুক্তি করে নিতে হবে। শুটিং এর তারিখ নির্বাচন করা হবে তারকাদের কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার ওপর ভিত্তি করে।

করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কম পারিশ্রমিকে কাজ করতে রাজি হয়েছেন তারকারা। অনেক ব্র্যান্ড তারকাদেরকে নিজ বাড়িতে কম বাজেটে শুটিং করার সুযোগ করে দিচ্ছে। তাই চড়া পারিশ্রমিক হাঁকাতে পারছেন না তারকারা।

করোনা পরিস্থিতি যেন সুপারস্টারকে অন্য শিল্পীদের কাতারেই নিয়ে এসেছে। কারণ সবার জন্য নিয়ম সমান। -ডিএনএ