চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শনাক্তের হার ১. ৪৯ শতাংশ, মৃত্যু ৯

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫৯৬তম দিনে নয়জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮২৩ জন। আর শনাক্তের হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ২৭৫ জন। গত ৫ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২৬৪ জন রোগী মারা যায়। গত ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ১৬ হাজার ২৩০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৮ হাজার ৪৮৫টি পরীক্ষায় ২৭৫ জন এই ভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৭৪ লাখ ৫৬ হাজার ১৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৪টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে এক কোটি দুই লাখ ২২ হাজার ১৫০টি নমুনা। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৬৯২ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৬ জনসহ মোট ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৩২৭ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় যে নয়জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও ছয়জন নারী। তাদের মধ্যে হাসপাতালে (সরকারিতে আটজন, বেসরকারীতে একজন) মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ২৭ হাজার ৮২৩ জন। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এখন পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন ২৩ হাজার ৬৫৮ জন, যার শতকরা হার ৮৫ দশমিক ০৩ শতাংশ। বেসরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছেন তিন হাজার ৩৫৫ জন, যার শতকরা হার ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ। বাসায় ৭৭৬ জন মারা গিয়েছেন, যার শতকরা হার দুই দশমিক ৭৯। এছাড়াও মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন ৩৪ জন, যার শতকরা হার দশমিক ১২ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৮১৭ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৬৪ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং ১০ হাজার ছয়জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ৩৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত নয়জনের মধ্যে এগারো থেকে বিশ বয়সী একজন, চল্লিশোর্ধ্ব দু’জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব দু’জন, ষাটোর্ধ্ব তিনজন, নব্বইঊর্ধ্ব একজন।

আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ছয়জন, চট্টগ্রাম বিভাগে দু’জন ও সিলেট বিভাগে একজন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২২২টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ২৪ কোটি ৪২ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪৯ লাখ ৬১ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২২ কোটি ১২ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন